Suvendu Adhikari: ‘আমার কাছে থাকতে চাইলে ও থাকতে পারে, আমি অভিভাবক হতে পারি’, বাবা-মাহারা পৃথ্বিশকে বুকে টেনে নিলেন শুভেন্দু
Suvendu Adhikari Chorbagan Incident: অভিশপ্ত সেই রাতে চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলেন বরানগরের ঘোষ দম্পতি। ছেলে যাননি। সেই রাতে হুড়োহুড়ির মাঝে পড়ে যান দুজনে। তাঁদের যতক্ষণে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, মৃত্যু হয় তাঁদের। শুভেন্দু এদিন নিহত দম্পতির ছেলের সঙ্গে দেখা করেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

উত্তর ২৪ পরগনা: চোরবাগানের ঘটনায় মৃত বরানগরের দীপালি ও দিলীপ ঘোষের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, যদি পরিবার চায় নিহত দম্পতির ছেলের দায়িত্ব তিনি নিতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “এটা আমার কর্তব্য। ছেলেটার বাবা মা চলে গিয়েছে। আমি বাড়ির লোককে বলেছি, আমার কাছে থাকতে চাইলে ও থাকতে পারে। আমি অভিভাবক হতে পারি। প্রতিভাবান ছেলে।”
প্রসঙ্গত, অভিশপ্ত সেই রাতে চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলেন বরানগরের ঘোষ দম্পতি। ছেলে যাননি। সেই রাতে হুড়োহুড়ির মাঝে পড়ে যান দুজনে। তাঁদের যতক্ষণে উদ্ধার করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, মৃত্যু হয় তাঁদের। শুভেন্দু এদিন নিহত দম্পতির ছেলের সঙ্গে দেখা করেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
দিলীপ-দীপালির একমাত্র ছেলের নাম পৃথ্বিশ ঘোষ । তিনি সম্প্রতি বি.টেক (B.Tech) পড়াশোনা শেষ করেছেন। বাবা-মাকে একসঙ্গে হারিয়ে আজ স্তব্ধ তিনি। নিহতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যেহেতু পৃথ্বিশ অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছেন,তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন সাংবাদিকদের সামনে চোরবাগানকাণ্ডে আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, “মানুষের ভুল তো ছিলই। তদন্তকারী দেখবে কারা দোষী। কমিটি গোটাটাই খতিয়ে দেখবে। সকলেই তো মানুষ।”
