AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Chorbagan Pandal: ১৩৪ টনের ২৪টি AC, তবুও কম! চোরবাগানে মণ্ডপের ভিতর দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল!

Chorbagan pandal forensic investigation: ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক মতে, মণ্ডপ ফাঁকা থাকলে বা অল্প ভিড় হলে এই ১৩৪ টন এসি যথেষ্ট। কিন্তু পুজোর দিনগুলিতে যে পরিমাণ বিপুল ভিড় হয়েছিল, সেই অনুপাতে এই এসি ও ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা একেবারেই পর্যাপ্ত ছিল না।

Chorbagan Pandal: ১৩৪ টনের ২৪টি AC, তবুও কম! চোরবাগানে মণ্ডপের ভিতর দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল!
চোরবাগানImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 23, 2026 | 12:18 PM
Share

কলকাতা: চোরবাগান পুজো মণ্ডপের ভয়াবহ দুর্ঘটনার নেপথ্যে এসি বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের অপ্রতুলতা ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে শ্বাসরোধ হয়ে একাধিক মৃত্যুর তথ্য সামনে আসার পর থেকেই মণ্ডপের ভেন্টিলেশন সিস্টেম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফরেন্সিক তদন্তের মূল দিকগুলি

  • এসি-র পরিমাণ: সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন মণ্ডপের ভেতরে সব মিলিয়ে ২৪টি এসি ছিল, যার মোট ক্ষমতা ছিল ১৩৪ টন।

  • বিশেষজ্ঞদের অনুমান: ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক মতে, মণ্ডপ ফাঁকা থাকলে বা অল্প ভিড় হলে এই ১৩৪ টন এসি যথেষ্ট। কিন্তু পুজোর দিনগুলিতে যে পরিমাণ বিপুল ভিড় হয়েছিল, সেই অনুপাতে এই এসি ও ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা একেবারেই পর্যাপ্ত ছিল না।

  • ঠান্ডা না হওয়ার কারণ: প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এসি মেশিনগুলি ঠিকঠাকভাবে সচল থাকলেও মণ্ডপের অভ্যন্তরের বিশাল আয়তন এবং অতিরিক্ত জনসমাগমের জেরে পর্যাপ্ত ঠান্ডা হচ্ছিল না।

এই ঘটনার পরই সুরক্ষার সার্বিক দিক নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। পুজোর আগে প্রশাসনিক স্তরে যখন মণ্ডপের সুরক্ষা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন করা হয়েছিল, তখন কি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নজর এড়িয়ে গিয়েছিল? নাকি ভিড় নিয়ন্ত্রণের এই দিকটিতে ইচ্ছা করেই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি?

উল্লেখ্য, চোরবাগান বিপর্যয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে SIT গঠন করেছে রাজ্য সরকার। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বেই সিট গঠনের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কমিটিতে আরও অনেকে রয়েছেন। বিপর্যয় মোকাবিলা, নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্যের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্সের সচিব, ডিজি-আইজি সহ আরও অনেকে। ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা সিটের।

Follow Us