Suvendu Adhikari: যাঁরা সনাতন ধর্ম মানেন, তাঁরাই প্রতিমাতে হাত দেবেন: শুভেন্দু
Shuvendu Adhikari On Durga Idol Immersion: দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন পর্বকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল করে তুলতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। প্রতিমা বিসর্জনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুটি প্রধান পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাংবাদিকদের সামনে সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা: সনাতনীরাই প্রতিমার গায়ে হাত দেবেন। বাজে কদমতলা ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের যাবতীয় নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে এসে সাংবাদিকদের বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, “মাকে যাঁরা নিয়ে যাবেন, তাঁদের নাম পরিচয়ও আমি সিপি-কে বলে গেলাম, ওটাও আইডেন্টিফাই করে দিতে হবে। যাঁরা সনাতন ধর্ম মানেন, তাঁরাই প্রতিমাতে হাত দেবেন। এটার মধ্যে কোনও সাম্প্রদায়িকতা নেই।”
দুর্গাপুজোরর প্রতিমা বিসর্জন পর্বকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল করে তুলতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। প্রতিমা বিসর্জনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুটি প্রধান পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাংবাদিকদের সামনে সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
১. অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে এনডিআরএফ (NDRF) মোতায়েন সাধারণত দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের সম্পূর্ণ তদারকি এবং নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন। তবে এবার সুরক্ষাবলয় আরও আঁটসাঁটো করতে এবং যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসনের পাশাপাশি এবার এনডিআরএফ টিমও মোতায়েন থাকবে।
২. সনাতন রীতি মেনে ম্যানুয়াল ট্রলির ব্যবহার
অতীতে বিসর্জনের সময় ক্রেন ব্যবহারের ফলে দুর্গামূর্তির পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সেই ধর্মীয় আবেগকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকার ক্রেনের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে সম্পূর্ণ শাস্ত্রীয় নিয়ম ও রীতি নীতি মেনে ম্যানুয়াল ট্রলি বা হাতে চালিত ট্রলির মাধ্যমে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে।
সরকারের এই দুই পদক্ষেপে একদিকে যেমন ঘাটে ঘাটে কঠোর নিরাপত্তা বজায় থাকবে, অন্যদিকে তেমনই ধর্মীয় ভাবাবেগও অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
