AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Subrata Gupta: ‘TMC সরকারের সিদ্ধান্ত তথ্যভিত্তিক হত না, বর্তমান সরকার চিন্তা-ভাবনা করে’, TV9 বাংলার কনক্লেভে এসে পরিবর্তন বোঝালেন সুব্রত গুপ্ত

Subrata Gupta at TV9 Bangla Conclave: সুব্রত গুপ্ত বলেন, "আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ চান। ওনার যে টিম তাঁদের থেকেও আশা করেন যে তাঁরই গতিতে কাজ করেন। আমরাও চেষ্টা করছি সঙ্গ দেওয়ার। আমার মনে হয় পুরো মন্ত্রিসভাই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সেই চেষ্টাই করছেন। আমার মনে হয় অনেক সরকারি পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলি সহজ করা যায়।"

Subrata Gupta: 'TMC সরকারের সিদ্ধান্ত তথ্যভিত্তিক হত না, বর্তমান সরকার চিন্তা-ভাবনা করে', TV9 বাংলার কনক্লেভে এসে পরিবর্তন বোঝালেন সুব্রত গুপ্ত
অমৃতাংশু ভট্টাচার্য ও সুব্রত গুপ্তImage Credit: Tv9 Bangla
| Updated on: Aug 27, 2026 | 5:34 PM
Share

কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় বিশেষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। একসময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হওয়ার যোগ্য দাবিদার ছিলেন। কিন্তু, সেই দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়নি। দিল্লি চলে গিয়েছিলেন বাংলার ছেলে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলের বাংলাকেও দেখেছেন তিনি। আর এখন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শদাতা হিসেবে বদলের বাংলায় বড় ভূমিকা পালন করছেন। দুই সরকারর মধ্যে কী পরিবর্তন দেখলেন তিনি? ১০০ দিনে বাংলার কতটা পরিবর্তন হল? বিজেপি সরকারের ১০০ দিনে কতটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে? বৃহস্পতিবার TV9 বাংলার মেগা কনক্লেভে ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের মুখোমুখি হয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত।

অমৃতাংশু ভট্টাচার্য : কাজের জায়গাটা কোনও কারণে আপনার কাছে খুব সংকুচিত ছিল বা অত কাজ দরকার ছিল না বা কেউ চাননি। সেজন্য আপনি বাংলা ছেড়ে বাংলার ছেলে হয়ে দিল্লি চলে গিয়েছিলেন। এবার ফিরলেন একেবারে অন্য ভূমিকায়। সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে। পরিবর্তন কী দেখলেন?

সুব্রত গুপ্ত: আগের সরকারের সমস্যা ছিল, সিদ্ধান্তগুলি তথ্যের উপর ভিত্তি করে বেশিরভাগ সময় হতো না। হঠাৎ তাৎক্ষণিকভাবে হয়তো কোনও সিদ্ধান্ত কোনও মিটিংয়ে বলে দেওয়া হল। আগে-পিছে কোনও চিন্তা-ভাবনা না করেই। ফল যে সবসময় ভালো হত, তা নয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে হয়তো ভাল হয়েছে। কারণ খুব তড়িদগতিতে কাজ হয়েছে। মানুষ অনেকসময় সরকারি বাসরুটের দাবি করেন। দাবি মেনে বাস রুট দিয়ে দিল। কিন্তু, দেখা গেল যে সেখানে থেকে যা যাত্রী হচ্ছে, তাতে বাস চালানোর যে খরচ তা দিতে দিতে কর্পোরেশন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া যায় না। এটা মনে হয় একটা বড় পরিবর্তন যে এখনকার সরকার বিষয়গুলো চিন্তাভাবনা করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

আরেকটা বড় যে পরিবর্তন সেটা হল মানুষের একটা ধারণা হয়েছিল আগের সরকারের সময় আইনের শাসন চলছে না। সেখানে বিভিন্ন বেসরকারি যাঁরা আছেন, তাঁরা স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সেটার ক্ষেত্রে অনেকখানি পরিবর্তন অনেকেই দেখতে পাচ্ছেন বলে আমার মনে হয়।

অমৃতাংশু ভট্টাচার্য : বাংলার ক্ষেত্রে কর্মসংস্কৃতিতে অনেক সমস্যা রয়েছে। সেটা কতটা বদলাতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে?

সুব্রত গুপ্ত : আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ চান। ওনার যে টিম তাঁদের থেকেও আশা করেন যে তাঁরই গতিতে কাজ করেন। আমরাও চেষ্টা করছি সঙ্গ দেওয়ার। আমার মনে হয় পুরো মন্ত্রিসভাই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সেই চেষ্টাই করছেন। আমার মনে হয় অনেক সরকারি পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলি সহজ করা যায়। সরকারের কাছে যাতে সবসময় ছুটতে না হয়, তার জন্য ডিজিটাল বা নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। তবে, কর্মসংস্কৃতির উন্নতিতে দেরি হবে।

অমৃতাংশু ভট্টাচার্য : ১০০ দিনে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল?

সুব্রত গুপ্ত : সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যে গাড়ির যাঁরা চালক, তাঁদের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু গাড়ির গিয়ার, ইঞ্জিন, টায়ার সবই একই আছে। সুতরাং তাঁদের মধ্যে দিয়ে স্পিডে কাজ করা এটাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারে কাছে কেন প্রতিটা জিনিসের জন্য আসতে হবে? সরকার মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে। এটাই পরিবর্তন করা সবথেকে বেশি চ্যালেঞ্জের হবে। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলছেন আমাদের সবাইকে যে আমি চাই সরকারি পরিষেবা যাতে মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে যায়। সেটার ব্যবস্থাই প্রাথমিক লক্ষ্য।

অমৃতাংশু ভট্টাচার্য : অভিজ্ঞতা কী?

সুব্রত গুপ্ত : কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার উদ্যোগগুলি বাস্তবায়িত করতে পেরেছে। মিড-ডে মিলের ক্ষেত্রে আমরা যেটা করেছি। রাজ্য সরকার চাইছে যে প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে যাক। কিছু জিনিস আছে যেগুলি সময় লাগবে। নতুন উদ্যোগ অনেক এসছে। কিন্তু, জমি নিয়ে সমস্যা রয়েছে। কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সমাধান করার চেষ্টা চলছে।

Follow Us