AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Election Commission: ভোটের আগে বাংলার পুরো পুলিশ-প্রশাসনকে উল্টে-পাল্টে দিল কমিশন

আর এই বদল নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, "বিজেপি এতদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করল। এতদিন ভোট এলে সিবিআই-ইডি সকলে চলে আসত। এরপর এসআইআর করল। এই সব করে ভোটের সংখ্যা কমাল। তারপর বাংলার আইএএস-আইপিএসদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। সবটা বাংলার মানুষ দেখছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মান জনক। এটার প্রয়োজন ছিল না। যাঁরা এসেছেন তাঁরাও যোগ্য, যাঁরা ছিলেন তাঁরাও যোগ্য।"

Election Commission: ভোটের আগে বাংলার পুরো পুলিশ-প্রশাসনকে উল্টে-পাল্টে দিল কমিশন
জ্ঞানেশ কুমার, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারImage Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Mar 18, 2026 | 2:19 PM
Share

কলকাতা: ভোটের মুখে আগেই পুলিশ ও আমলাদের বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। আর এবার ফের একবার রাজ্য পুলিশে বড় বদল। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমানের ডিআইজি বদল। আগেই বদল করা হয়েছিল ডিজিপি, পাঁচ কমিশনারেটের সিপি, এডিজি আইন-শৃঙ্খলাকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। তবে শুধু ডিআইজি নয়, বদলানো হল জেলা শাসকদেরও। তেরো জন জেলাশাসককে বদল করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বদল হয়েছেন রায়গঞ্জের ডিআইজি রাথোর অমিত কুমার ভরত, মুর্শিদাবাদের ডিআইজি অজিত সিং যাদব, বর্ধমানের ডিআইজি শ্রীহরি পান্ডেকেও বদল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বাউরিকে বদলে দেওয়া হয়েছে। বদল হয়েছে জলপাইগুড়ি রেঞ্চের ডিআইজি অঞ্জলী সিং। অপরদিকে, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, নদিয়া উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসকদের বদল করা হয়েছে। আর নতুন যাঁরা এসেছেন সেই তালিকাও কার্যত চমকপ্রদ। রনধীর কুমার, স্মিতা পাণ্ডে, আর অর্জুন। এরা কমিশনের কাজ করেছেন। এরা রোল অবজারভার ছিলেন। এদের উপরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায়।

আর এই বদল নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, “বিজেপি এতদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করল। এতদিন ভোট এলে সিবিআই-ইডি সকলে চলে আসত। এরপর এসআইআর করল। এই সব করে ভোটের সংখ্যা কমাল। তারপর বাংলার আইএএস-আইপিএসদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। সবটা বাংলার মানুষ দেখছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মান জনক। এটার প্রয়োজন ছিল না। যাঁরা এসেছেন তাঁরাও যোগ্য, যাঁরা ছিলেন তাঁরাও যোগ্য।” বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যতদিন এরা প্রশাসনে ছিলেন ততদিন সরকারের হয়ে ছিলেন। সব থেকে বড় প্রমাণ হল আরজি করের তথ্য প্রমাণ লোপাট।”

Follow Us