Justice Ujjal Bhuyan: ‘বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার মন্তব্যের বড় প্রভাব পড়তে পারে’, বলছেন রাজ্যের প্রাক্তন এজি
Justice Ujjal Bhuyan on Election Commission: জ্ঞানেশ কুমার বিতর্কের মাঝেই হায়দরাবাদের নালসার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া বলেছেন, "কোটি কোটি নাগরিককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাঁদের নিজের দেশেই ‘দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক’ করে তোলার মতো কোনও পদক্ষেপই মৌলিকভাবে স্বেচ্ছাচারী।"

কলকাতা: এসআইআর (SIR) প্রক্রিয় ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। একদিক মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবি নিয়ে পথে নেমেছেন বিরোধীরা, অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কমিশনকে নোটিস দিয়েছে। এই আবহেই এসআইআর নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া। কার্যত প্রকাশ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন তিনি। কিন্তু একজন বিচারপতি কি এরকম একটি বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারেন? প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রাক্তন এজি জয়ন্ত মিত্র।
জ্ঞানেশ কুমার বিতর্কের মাঝেই হায়দরাবাদের নালসার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া বলেছেন, “কোটি কোটি নাগরিককে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাঁদের নিজের দেশেই ‘দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক’ করে তোলার মতো কোনও পদক্ষেপই মৌলিকভাবে স্বেচ্ছাচারী।”
দুজন যে কমিশনার রয়েছেন, তাঁরা বলেছেন তাঁদের মত না নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আশা করা যায় যে তিনজন নিজেদের মধ্য়ে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু যদি দুজন বলে যে তাঁদের মতামত নেওয়া হয়নি, এটা রেকর্ড থাকলে আদালতে পেশ করা যেতে পারে।
এই প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সংবিধান বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত মিত্র বলেন, “আদালতে যখন বিষয়টি উঠেছে, তখন সেখানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বাইরে গিয়ে এই মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি। বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার কমেন্টের বড় প্রভাব থাকতে পারে।”
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেশবাসীকে খোলা চিঠি লিখেছেন একাধিক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তাঁরা বলছেন, কমিশনকে আক্রমণ করে আদতে ভারত তথা বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রকে অস্থির করার চেষ্টা হয়েছে। পরিণতি বিবেচনা না করেই রাজনৈতিক উদ্দেশে এই পরিকল্পিত করা হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। গণতন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা।
