Firing in Park Circus: বাজুবন্ধনীর কাছে হাড়ে বিঁধে বুলেট, পার্ক সার্কাস গুলি কাণ্ডে আহত বসির এখনও মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন
Firing in Park Circus: আপাতত তাঁর রক্তক্ষরণ বন্ধ করা গিয়েছে। শরীর থেকে বুলেট বের করার প্রস্তুতি চলছে। সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচার করবেন।

কলকাতা: পার্কসার্কাস কাণ্ডে গুলিবিদ্ধ বসির আহমেদের হাতের বাজুবন্ধনী বা স্ক্যাপুলা বোনের কাছে বিঁধে রয়েছে বুলেট। হাড়ের মাঝে আটকে থাকা বুলেটের ছবি এসেছে TV9 বাংলার হাতে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে বসিরকে বিকেলে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম- এর ট্রমা কেয়ার সেন্টারে। সেখানে ১১ তলায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বসির। আপাতত তাঁর রক্তক্ষরণ বন্ধ করা গিয়েছে। শরীর থেকে বুলেট বের করার প্রস্তুতি চলছে। সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচার করবেন।
শুক্রবারের ভরদুপুরে পার্কসার্কাসের গুলি কাণ্ড নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা রাজ্যকে। মৃত্যু হয় রিমা সিং নামে এক মহিলার। আহত হয়েছেন বসির আলম এবং মহম্মদ সরফরাজ নামে আরও দুই জন। পরে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন চোডুপ লেপচা নামে ওই পুলিশ কর্মীও।
লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, দূতাবাসের পাশে হাইসিকিউরিটি জোনে ওই জওয়ানের দায়িত্ব ছিল। তাঁকে ৪০ রাউন্ড গুলি দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার সময়ে তিনি ৯ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে কোনও সমস্যা, পারিবারিক অবসাদ বা সম্পর্কের জটিলতার কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। যদিও এ বিষয়ে এখনও সুস্পষ্ট কোনও তথ্যই পাওয়া যায়নি। জানা যাচ্ছে, তাঁকে ছুচি দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কাজে যোগ দেওয়ার আগে ১০ দিন ছুটি কাটিয়ে এসেছিলেন চোডুপ। তারপর শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কাজে যোগ দেন তিনি। ছুটিতে থাকার সময় তিনি কোনও ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন কিনা সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
আত্মঘাতী ওই পুলিশ কর্মী অবিবাহিত ছিলেন। জানা যাচ্ছে, ওই পুলিশ কর্মীর বাবাও পুলিশে কর্মরত ছিলেন। দার্জিলিঙের বাড়িতে তাঁর দাদা-বৌদি থাকেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
