Minor Physical Assault in Kolkata: অসুস্থবোধ করছিলেন কিশোরী, কারণ জানতেই চমকে উঠলেন মা! পকসোর ধারায় গ্রেফতার পাঁচ নাবালক
Kolkata Bengali News: রবিবার ওই নাবালিকার মা বাগুইআটি থানায় গিয়ে প্রতিবেশী পাঁচ নাবালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দিনের দিন গ্রেফতার করা হয় ওই পাঁচ অভিযুক্ত কিশোরকে। পুলিশি সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্য়ায় সংহিতার ধর্ষণ, অপরাধমূলক ভিত্তি প্রদর্শন এবং পকসোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

কলকাতা: স্কুলছাত্রীকে লাগাতর ধর্ষণের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। নাবালিকা মেয়ের গতিবিধি দেখে সন্দেহ জন্ম নেয় মায়ের মনে কোণে। খতিয়ে দেখতেই পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায় তাঁর। এরপরেই দ্বারস্থ হন বাগুইআটি থানায়। পাঁচ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে পকসো মামলায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
শহর কলকাতায় একই দিনে জোড়া ধর্ষণের অভিযোগ। দু’টি অকুস্থলের মধ্য়ে দূরত্ব সীমিত। একটি কসবা, অন্যটি বাগুইআটি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিল বাগুইআটির নির্যাতিতা নাবালিকা। বছর এগারো বয়স তার। সবে স্কুলে পড়ে। কিন্তু লাগাতর ধর্ষণের শিকার হয়েছে সে। পৈশাচিক লালসা গিলে খেয়েছে তাকে, এমনটাই অভিযোগ। আর অভিযুক্ত কারা? তারাও নাকি নাবালক।
রবিবার ওই নাবালিকার মা বাগুইআটি থানায় গিয়ে প্রতিবেশী পাঁচ নাবালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দিনের দিন গ্রেফতার করা হয় ওই পাঁচ অভিযুক্ত কিশোরকে। পুলিশি সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্য়ায় সংহিতার ধর্ষণ, অপরাধমূলক ভিত্তি প্রদর্শন এবং পকসোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। নাবালিকা ও ধৃতদের প্রত্যেকেরই মেডিক্য়াল পরীক্ষাও করানো হয়ে গিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় এখনও অস্পষ্ট, তা হল এই ঘটনা ধর্ষণ নাকি গণধর্ষণ। মূল অভিযুক্ত এক না একাধিক তা এখনও জানা যায়নি।
তবে অভিযুক্ত নাবালকদের থানায় আটক করেনি পুলিশ। যেহেতু ধৃতদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ বছরের নীচে। সেহেতু গ্রেফতার করার পর তাদের একটি সরকারি হোমে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিধাননগর জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পেশ করা হয় অভিযুক্তদের। সেখানেই হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় পুলিশ। তারপর পাঠানো হয় হোমে।
একই রকমের নৃশংস ঘটনার সাক্ষী খাস কলকাতার কসবা এলাকাও। নাবালিকাকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্য়েই তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতকে আলিপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কসবা থানা।
