Fuel Crisis in Kolkata: ‘অন্যের ঝগড়ায় আমাদের সঙ্কট’, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে পকেটে টান কলকাতার অটোওয়ালাদের
Iran-Israel war: লিটার পিছু দাম ৫৭.৬৮ টাকা অপরিবর্তিত থাকলেও শহরের একাধিক পেট্রোল পাম্পে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ নেই বলে খবর। যার জেরে যে পাম্পে যখন গ্যাসের গাড়ি আসছে সেখানেই বাড়ছে অটোর ভিড়, বাড়ছে গ্যাস রিফিল করার তাগিদ। দক্ষিণ কলকাতার রিচি রোডে একটি পাম্পে আজ সকাল থেকেই গ্যাস রিফিল করার লম্বা লাইন।

কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে কলকাতায় জ্বালানি সঙ্কট। আঁচ হেঁসেলে, আঁচ রেস্তোরাঁতেও। দেশের বড় বড় শহরগুলির মতো ঝাঁপ বন্ধের পথে কলকাতার রেস্তোরাঁগুলিও। জ্বালানি সঙ্কট এলপিজি নির্ভর অটোতেও। ছাপ জেলায় জেলায়। ছাপ কলকাতাতেও। চুঁচুড়া-ত্রিবেণী রুটে আগে প্রায় ৯৩টি অটো চলতো। কিন্তু গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পর থেকে সেই রুটে এখন অটো সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একই ছবি এবার দেখা যাচ্ছে কলকাতাতেও।
লিটার পিছু দাম ৫৭.৬৮ টাকা অপরিবর্তিত থাকলেও শহরের একাধিক পেট্রোল পাম্পে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ নেই বলে খবর। যার জেরে যে পাম্পে যখন গ্যাসের গাড়ি আসছে সেখানেই বাড়ছে অটোর ভিড়, বাড়ছে গ্যাস রিফিল করার তাগিদ। দক্ষিণ কলকাতার রিচি রোডে একটি পাম্পে আজ সকাল থেকেই গ্যাস রিফিল করার লম্বা লাইন। প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর গ্যাস মিলছে বলে দাবি অটো চালকদের। অটো চালকদের বড় অংশের দাবি, রুবি, যাদবপুর, চেতলার মতো এলাকার পাম্পে কোথাও সরবরাহ নেই। কোথাও থাকলেও তা মাত্রায় কম। সে কারণেই অনেক দূরের পাম্পে যেতে হচ্ছে।
অটোতে বসেই শেখ সাবির নামে এক চালক বললেন, “কোথাও তো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। সব জায়গায় ক্রাইসিস। অন্যের ঝগড়ায় আমাদের এখানে সঙ্কট। ফলে যে পাম্পে পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই লম্বা লাইন পড়ছে। ৫ থেকে ৬ দিন ধরে একই অবস্থা। সকাল থেকে তো কোনও ইনকামই হল না। গ্যাস ভরতেই দিন শেষ। মনে হচ্ছে উল্টে পকেট থেকে টাকা চলে যাবে।”
আর এক চালকও ক্ষোভ উগরে দিলেন। বললেন, “সকাল ১০টায় এসেছি। তারপর থেকে পাম্পেই দাঁড়িয়ে আছি। সব পাম্পে একই অবস্থা। আমাদের তো রুটি-রুজিতে চাপ পড়ছে। গ্যাস ভরতেই দিন চলে যাচ্ছে। আর গ্যাস না ভরে তো উপায়ও নেই। গাড়ি না চালালে তো সংসারও চলবে না।”
