Gyanesh Kumar: ‘আপনারা তো সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন…’, ক্ষিপ্ত জ্ঞানেশ কুমার, ‘বেশ করেছি’, বললেন চন্দ্রিমা
Supreme Court: পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সওয়াল করতে গিয়েছিলেন শীর্ষ আদালতে। আর সোমবার যখন কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জ্ঞানেশ কুমার, তখন তিনি নাকি কথায় কথায় সেই সুপ্রিম কোর্টের মামলার কথা বললেন।

কলকাতা: দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তাঁদের কথা শুনতে চাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এবার কলকাতাতেও তৃণমূলের তরফে উঠল সেই একই অভিযোগ। তাঁদের কথা শোনেননি জ্ঞানেশ কুমার। এমনকী তাঁদের উপর চীৎকার করেছেন বলেও দাবি তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের। আর তৃণমূলের মামলা করার বিষয়টা যে কমিশন খুব ভালোভালে দেখেনি, সেটাও একরকম বুঝিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সওয়াল করতে গিয়েছিলেন শীর্ষ আদালতে। আর সোমবার যখন কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জ্ঞানেশ কুমার, তখন তিনি নাকি কথায় কথায় সেই সুপ্রিম কোর্টের মামলার কথা বললেন।
এদিন কংগ্রেস যখন বৈঠক করছে, তখনও জ্ঞানেশ কুমার বলেছেন, “শীর্ষ আদালতে আপনারা মামলা করেছেন, এখন ষাট লাখের ভবিষ্যৎ আমায় জিজ্ঞেস করছেন?” পরে তৃণমূলের সঙ্গে কথা বলার সময়ও সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ তুলে জ্ঞানেশ কুমার চিৎকার করেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
এদিন তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে বেরিয়ে চন্দ্রিমা জানান, তাঁদের কথা শুনতে চাননি কমিশনার, উল্টে চিৎকার করেছেন। চন্দ্রিমার দাবি, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন, এ কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। তিনি নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চন্দ্রিমা বলেন, “আমাকে বলেছে, আপনারা তো সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন… যাব না কেন? আমাদের অধিকার আছে। মানুষের জন্য গিয়েছি। আমরা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছি, বেশ করেছি।” চন্দ্রিমার কথায়, সব যদি সুপ্রিম কোর্টে আছে, তাহলে আমাদের ডাকলেন কেন, ডাকলে তো শুনতেই হবে।
