
কলকাতা: বর্তমানে খড়গপুর সদরের বিধায়ক। শেষ লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন ঘাটাল থেকে। কিন্তু হারতে হয়েছিল তৃণমূলের তারকা প্রার্থী দেবের কাছে। যদিও দমতে নারাজ হিরণ। বিজেপির ঝাণ্ডা কাঁধে নিয়ে এখনও পুরোদমেই রয়েছেন রাজনীতির ময়দানে। এবার সেই হিরণ্মময় চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চাপানউতোর। যদিও দ্বিতীয় বিয়ের খবর শোনার পর হিরণের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রথম স্ত্রী। কিন্তু হিরণ কতদূর পড়াশোনা করেছেন জানেন?
২০২১ সালে নির্বাচন কমিশনে হিরণের জমা দেওয়া হলফনামা বলছে, ১৯৯৮ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজিতে স্নাতক পাশ করেন। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বলছে, সিএমজে বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে গ্রামোন্নয়নের উপর পিএইচডি করেছেন। ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত যে তথ্য তিনি ওই হলফনামায় তুলে ধরেছেন তা বলছে পোস্ট পিএইচডি রিসার্চ ফেলো ছিলেন আইআইটি খড়গপুরেও। করেছেন রিসার্চ।
যদিও তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে চব্বিশের লোকসভা ভোটের সময় বিতর্কও কম হয়নি। নির্বাচনী হলফনামায় যোগ্যতা হিসেবে হিরণ যা উল্লেখ করেছেন, তা ঠিক নয় বলে নির্বাচন কমিশনে জানায় আম আদমি পার্টি। হিরণের প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি তোলা হয় আপের তরফে। আপের তরফে বলা হয়, তারা আইটিআই করেছিলেন। তাতেই জানতে পেরেছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায় ওখানে কোনওভাবেই গবেষণায় যুক্ত নন। এই নামের কোন রিসার্চ ফেলো নেই। যদিও হিরণের দাবি ছিল, “পিএইচডি না করলে তো পোস্ট পিএইচডি করা যায় না। কিছু বলার থাকলে সোজা কোর্টে চলে যান। আইন আইনের পথে চলবে।”