AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee: একটি সম্প্রদায়ের ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু হলেই রাস্তায় বসে পড়বে, প্রাণ ওষ্ঠাগত করে দেবে: মমতা

Mamata Banerjee: পাশাপাশি তাঁদের এক গুচ্ছ নির্দেশও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "বাংলায় কেউ কেউ অশান্তি ছড়াতে চাইছেন। সতর্ক থাকতে হবে। ভোটের স্বার্থে কেউ কেউ অশান্তি ছড়াতে চায়, বাংলা শান্তি চায়। সবাই মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।"

Mamata Banerjee: একটি সম্প্রদায়ের ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু হলেই রাস্তায় বসে পড়বে, প্রাণ ওষ্ঠাগত করে দেবে: মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: Jan 27, 2026 | 6:10 PM
Share

কলকাতা: ‘বাংলায় কেউ কেউ অশান্তি ছড়াতে চায়, সতর্ক থাকুন।’ ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর প্রশাসনিক কর্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তাঁদের এক গুচ্ছ নির্দেশও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় কেউ কেউ অশান্তি ছড়াতে চাইছেন। সতর্ক থাকতে হবে। ভোটের স্বার্থে কেউ কেউ অশান্তি ছড়াতে চায়, বাংলা শান্তি চায়। সবাই মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যদি আমাদের ৩০ শতাংশ অন্য কোনও কমিউনিটির লোক হয়, আমরা ঝগড়া করি তো, রোজ রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাবে। আমার প্রাণ ওষ্ঠাগত করে দেবে, টিকতে দেবে না। এরকম ২৬ শতাংশ আমাদের তফশিলি জাতিও রয়েছে, ৬ শতাংশ আদিবাসীও রয়েছে। আদিবাসীদের ওপর একটা ছোট্ট কিছু হলেই, ট্রেন অবরোধ করে দেবে। উঠতে চায় না। আমি তো এরকমটা চায় না। আমি তো চাই, সবাই সবার মতো শান্তিতে থাকুক। কেউ কারোর বিষয়ে নাক গলাবে না।”

এই কথা প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “ভোটের জন্য কেউ অশান্তি ছড়াতে চায়। কিন্তু আমাকে তো ৩৬৫ দিন থাকতে হয়। এই জন্য আপনারা শান্তিতে থাকবেন, পরিবার শান্তিতে থাকবে, চিন্তার কোনও দরকার নেই। ঠান্ডা মাথায় কাজ করুন।”

এই ৩০ শতাংশ কারা? নাম করেননি মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, বাংলায় তো ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘুরাই। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা রয়েছে, তার মধ্যে ১৪৬ টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। এই ১৪৬ টা বিধানসভার মধ্যে তৃণমূলের দখলে ১৩১ টি ও বিজেপির ১৪টি, আইএসএফ ১।  ৪০-৯০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে, এরকম বিধানসভার সংখ্যা ৭৪টা। ২৫-৪০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে, এরকম বিধানসভার সংখ্যা ৭২টা।

রাজ্য সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পরও সংখ্যালঘু ভোট প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিজেপি। সংখ্যালঘুদের মন পেতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতাও। মুসলিম ভোট ও বিজেপির অবস্থান নিয়ে তাঁর মতামতের ব্যাখ্যা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, তিনি কখনই বলেননি, মুসলিম ভোট তিনি চান না, তিনি যে আসলে সংখ্যালঘুদের ভোট পান না, সেটাই বলেছেন।  তাঁর বক্তব্য, খুনী, দুষ্কৃতীদের কোনও জাত ধর্ম হয় না, তৃণমূল আশ্রীত মুসলিম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে বলেছেন বলেই দাবি করছেন তিনি। অর্থাৎ ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের নিয়ে পাটিগণিতের হিসাব শুরু হয়ে গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, “পুলিশ প্রশাসন যদি তৃণমূলকে দেখলে টেবিলের তলায় লুকিয়ে পড়ে, তাহলে কারা অশান্তি তৈরির চেষ্টা থামাবে? বিজেপি নেতারা যদি পাড়ায় পাড়ায় ধর্ম-জাতের রাজনীতি তৈরি করতে প্রস্তুত থাকে আর তাতে তৃণমূল নেতারা জড়িত থাকে, কে কাকে থামাবে?”