AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

LPG: কেন হতে পারে LPG সংকট? কোন পথে হবে সমাধান? জেনে নিন সবটা

LPG shortage: তথ্য বলছে, আমাদের দেশে আমদানিকৃত এলপিজি-র ৮০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। অর্থাৎ অবিলম্বে ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ বন্ধ না হলে, দীর্ঘদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে ভারতে পৌঁছবে না এলপিজি। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাস্তায় আমদানি না করতে পারলে সর্বগ্রাসী হবে এলপিজি সংকট।

LPG: কেন হতে পারে LPG সংকট? কোন পথে হবে সমাধান? জেনে নিন সবটা
ফাইল ফোটো
| Edited By: | Updated on: Mar 11, 2026 | 12:16 PM
Share

কলকাতা: গৃহস্থের হেঁসেল থেকে হোটেল রেস্তরাঁ। রান্নার গ্যাস নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ এখনই না থামলে কি হবে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ একটি গ্যাস বুকিংয়ের ২৫ দিন পর দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুকিং করা যাবে। কেন্দ্র যদিও আশ্বাস দিচ্ছে, দেশে এলপিজি সংকট নেই। তারপরও একাধিক প্রশ্ন উঠছে। কেন ভারতে এলপিজি সংকট হতে পারে? কোন পথেই বা এর সমাধান সম্ভব?  

গ‍্যাস বিতরণকারী সংস্থাগুলি বলছে, গত ১০ বছরে ভারতে এলপিজি চাহিদা বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। দেশে এখন বার্ষিক এলপিজি চাহিদা ৩১ মিলিয়ন টন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এর মধ‍্যে ৮৫ শতাংশের বেশি গৃহস্থলিতে ব‍্যবহার হয়। ভারতের মোট চাহিদার ৬০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করতে হয়। অর্থাৎ আমাদের দেশে ব্যবহৃত এলপিজি-র অর্ধেকের বেশি আসে অন্য দেশ থেকে। আবার মোট আমদানির ৮০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের ফলে যে হরমুজ প্রণালী এখন বন্ধ রয়েছে। ফলে ভারতে আমদানিকৃত এলপিজি-র বেশিরভাগই এখন দেশে পৌঁছতে পারছে না।

কোন কোন দেশ থেকে ভারতে পেট্রোলিয়াম আসে?

মোট ৪১টি দেশের সঙ্গে পেট্রোলিয়ামে ব‍্যবসা করে ভারত। এর মধ্যে ভারত যেসব দেশ থেকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছে, সেই তালিকায় রয়েছে ইরাক, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। আর নতুন যে দেশগুলির সঙ্গে পেট্রোলিয়াম আমদানি করে, সেই তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, নাইজেরিয়া, অ‍্যাঙ্গোলা, কানাডা, ব্রাজিল এবং মেক্সিকো।

কোন পদ্ধতিতে বাড়ি বাড়ি গ‍্যাস ও পাম্পে পৌঁছয় তেল?

গ্যাস বিতরণকারী সংস্থাগুলি বলছে, অপরিশোধিত তেল প্রথমে যায় শোধনাগারে। সেখান থেকে ট‍্যাঙ্ক লরি বা পাইপলাইনের মাধ‍্যমে টার্মিনালে পৌঁছয়। আর এলপিজি যায় বটলারি প্ল‍্যান্টে। সেখানে হট অ‍্যান্ড স্ফিয়ার পদ্ধতিতে সিলিন্ডারে ঢোকানো হয়। তারপর বাড়ি বাড়ি যায়।

এলপিজি সংকট আটকানো যাবে কীভাবে ?

তথ্য বলছে, আমাদের দেশে আমদানিকৃত এলপিজি-র ৮০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। অর্থাৎ অবিলম্বে ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ বন্ধ না হলে, দীর্ঘদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে ভারতে পৌঁছবে না এলপিজি। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাস্তায় আমদানি না করতে পারলে সর্বগ্রাসী হবে এলপিজি সংকট। কারণ, এলপিজি মজুত করে রাখা সবচেয়ে কঠিন। তাই প্রথম ভোগাবে এলপিজি-ই।

ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ বাধার পর গত শনিবার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে। গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের দাম ৬০ টাকা ও বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ১১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দাম বাড়লেও জোগান থাকলে গৃহস্থের খুব একটা সমস্যা হবে না। কিন্তু, দীর্ঘদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে নতুন সংকট দেখা দেবে। এলপিজি আমদানির বিকল্প রাস্তা নিয়ে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর সবার।

Follow Us