Salt Lake: ভরদুপুরে তীব্র দুর্গন্ধ সল্টলেকে, বাড়িতে পুলিশ ঢুকতেই বের হল প্রৌঢ়ের পচাগলা দেহ
Kolkata: উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সল্টলেক: ভরদুপুরে পচা গন্ধে ঢেকে গেল সল্টলেকের জিসি ব্লক। বন্ধ বাড়ি থেকে প্রৌঢ়ের পচা-গলা মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, জিসি ব্লকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ৫৪ নম্বর বাড়ি থেকে উৎকট পচা দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে। ক্রমেই যেভাবে তীব্র বাড়তে থাকে তাতেই বাড়তে থাকে রহস্য। খবর যায় পুলিশে। পুলিশ এসেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় বাড়ির ভিতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী সুজয় দত্তের পচা-গলা দেহ উদ্ধার করে। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
উদ্ধারের পর দেহটি প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। অসুস্থতাজনিত কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তাঁ খানিকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে দেহের অবস্থা দেখে পুলিশের অনুমান বেশ কিছুদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে সুজয়বাবুর। সে কারণেই রীতিমতো পচন ধরে গিয়েছে গোটা শরীরে।
প্রতিবেশীদের দাবি, সুজয় বাবু দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বিয়ে করেননি। বাড়িতে একাই থাকতেন। কিন্তু হঠাৎ তাঁর এই পরিণতি কী করে তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। ইতিমধ্যেই একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে এদিনই আবার নাগেরবাজার সাতগাছি এনএন রোডে বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় মা ও ছেলের। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।
