AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR in Bengal: গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার অভিযোগ, নবান্নের নিশানায় কে?

Nabanna on group B officials: নামের ডেটাবেস বিকৃতের চেষ্টার অভিযোগ করে নবান্ন বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু অংশের দ্বারা যে অনিয়ম কিংবা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। নবান্নের এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। 'কিছু স্বার্থান্বেষী মহল' বলে কাকে নিশানা করল নবান্ন?

SIR in Bengal: গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার অভিযোগ, নবান্নের নিশানায় কে?
কী বলছে নবান্ন?
| Edited By: | Updated on: Feb 11, 2026 | 7:28 AM
Share

কলকাতা: শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আর এই শেষ পর্যায়ে এসেও এসআইআর নিয়ে চাপানউতোর কমছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ করল, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজ্যের গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামে ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে যথারীতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। গ্রুপ বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস কারা বিকৃত করার চেষ্টা করছে? কাকে নিশানা করছে রাজ্য?

এসআইআর-র কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দিয়েছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন প্রেস বিজ্ঞপ্তি বলল, সেই নামের ডেটাবেসই বিকৃতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “রাজ্য সরকারের নজরে এসেছে যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা গ্রুপ-বি কর্মচারীদের তালিকা সম্পূর্ণরূপে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত বিদ্যমান পে-লেভেল মানদণ্ড অনুসরণ করেই প্রস্তুত করা হয়েছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, “রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ হিসেবে শ্রেণিবিভাগ স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে এবং তা বিদ্যমান নিয়মাবলির সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। সেই নির্ধারিত নিয়ম ও মানদণ্ড মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ ‘বি’ কর্মচারীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয় ও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে কোনওরূপ বিচ্যুতি বা অনিয়ম করা হয়নি।”

এরপরই নামের ডেটাবেস বিকৃতের চেষ্টার অভিযোগ করে নবান্ন বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু অংশের দ্বারা যে অনিয়ম কিংবা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। নবান্নের এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। ‘কিছু স্বার্থান্বেষী মহল’ বলে কাকে নিশানা করল নবান্ন? ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এসআইআর-র শেষ পর্যায়েও যে রাজ্য ও কমিশনের চাপানউতোর জারি রয়েছে, তা এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট।