Firecracker Rules: বদলের বাংলায় কালীপুজোয় বাজি ফাটানোয় কী কী শর্ত? স্পষ্ট করল নবান্ন
Kali Puja and Chhath Puja Firecracker Rules: হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লোকালয় থেকে দূরে প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম মেনে বাজি বাজার বসাতে হবে এবং তার ওপর কড়া নজরদারি চলবে। ইতিমধ্যে বড়বাজার থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতা: কালীপুজো ও ছটপুজোয় বাজির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা জারি করল প্রশাসন। উৎসবের আনন্দে যাতে পরিবেশের ক্ষতি না হয় এবং জনজীবন বিপন্ন না হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই এই নিয়মাবলী তৈরি করা হয়েছে। নবান্নের সভাঘর থেকে বৈঠক করলেন সিপি অজয় নন্দা ও স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ।
প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীপুজো ও ছটপুজোয় কেবল পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন ক্র্যাকার্স’ ফাটানোর অনুমতি থাকবে। শব্দবাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। কালীপুজোয় রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এবং ছটপুজোয় সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। বহুতল আবাসনগুলোতে বাজি ফাটানোর সময় ধোঁয়ার মাত্রার দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ফানুস ওড়ানোর জন্য অগ্নি নির্বাপক (ফায়ার) বিভাগের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লোকালয় থেকে দূরে প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম মেনে বাজি বাজার বসাতে হবে এবং তার ওপর কড়া নজরদারি চলবে। ইতিমধ্যে বড়বাজার থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
ডিজি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিয়ম অমান্য করলে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য প্রশাসনের তরফে হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন, নিজেদের আনন্দের জন্য যেন অপরের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
