KMC Election: কালীপুজোর পর ফের ভোট বঙ্গে, কলকাতা-হাওড়া-সহ ৭ পুরসভায় নির্বাচন কবে?
Kolkata Municipal Election 2026: নভেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে। সূত্রের খবর, ২৭-২৮ নভেম্বর নির্বাচন হতে পারে। ২ ডিসেম্বর নির্বাচনের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা ও হাওড়া নয়, একসঙ্গে সাত পুরসভায় ভোট হবে। অক্টোবরেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে।

কলকাতা: পুজোর পরই ফের ভোটের বাদ্যি। নভেম্বরেই কলকাতা (KMC Election 2026) ও হাওড়ায় পুরভোট (Municipal Election 2026) হতে পারে। এখনও পর্যন্ত নির্বাচনের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। এর আগে শোনা গিয়েছিল পুজোর পর অর্থাৎ নভেম্বরের শেষে প্রথমে ভোট হতে পারে। এবার সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ২৭-২৮ নভেম্বর নির্বাচন হতে পারে। ডিসেম্বরের শুরুতেই নির্বাচনের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু কলকাতা ও হাওড়া নয়, একদিনে একসঙ্গে সাত পুরসভায় ভোট হবে। অক্টোবরেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে।
অক্টোবরের শেষেই দিন ঘোষণা?
খুব শীঘ্রই ভোটের দিনক্ষণ জারি করা হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, ২৭ অথবা ২৮ অক্টোবর পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে।সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ শুরু করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবারই ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে ভোটের প্রস্তুতি নিয়েই আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কোন কোন পুরসভায় ভোট?
মোট সাত পুরসভায় একসঙ্গে ভোট হবে। কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং পুরসভায় নির্বাচন হবে। মোট ৬৩০১ বুথে ভোটগ্রহণ। সূত্র মারফত খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৮ বা ২৯ নভেম্বর ভোটগ্রহণ হতে পারে। ২ ডিসেম্বর ভোট গণনার সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। আর বাকি যে পুরসভা রয়েছে, তার নির্বাচন হতে পারে সংশ্লিষ্ট পুরবোর্ডের মেয়াদ অনুযায়ী। সেক্ষেত্রে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারির দিকে বাকি পুরসভার ভোট হতে পারে।
মমতা তৃণমূলের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজ্ঞপ্তি জারি হলে বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে। ডিলিমিটেশন নিয়ে আমাদের বক্তব্য আমরা জানিয়েছি। নির্বাচনে লড়ার জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত থাকি। তবে, যদি নিয়ম মেনে না হয়, তাহলে আমাদের বক্তব্য তো থাকবেই।”
বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিত সরকার বলেন, “আমরা সবসময় তৈরি। এখানে যাই হোক না কেন, যখনই ভোট হোক না কেন আমরা প্রস্তুত থাকি। জনতার জন্য যা ভাবছি, তা আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিই। আলাদা করে মানুষকে বোঝানোর কিছু নেই। কারা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কথা ভাবছেন, পশ্চিমবঙ্গের জনতাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন, যাতে ভারতের প্রথম সারির তিনটি রাজ্যের মধ্যে আমরা পৌঁছতে পারি। পুরভোট বা পুরসভাগুলি বাদ দিয়ে তা সম্ভব নয়। পুরভোটেও তার প্রতিফলন আসবে, আমরা তা বিশ্বাস রাখি।”
