AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Maha Kumbh: ‘হঠাৎ করেই দেখি ওরা আসতে শুরু করল…’, পদপিষ্টের আগের মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল? কুম্ভে গিয়ে মৃত কলকাতার প্রৌঢ়ের মেয়ের মুখে ভয়ঙ্কর তথ্য

Kumbh: ছেলে-মেয়ে ও বোনের সঙ্গে কুম্ভে গিয়েছিলেন কলকাতার ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাসন্তী পোদ্দার। জানা গিয়েছে, হুড়োহুড়ির মধ্যে আচমকাই পড়ে যান তিনি। আর উঠতে পারেননি।

Maha Kumbh: 'হঠাৎ করেই দেখি ওরা আসতে শুরু করল...', পদপিষ্টের আগের মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল? কুম্ভে গিয়ে মৃত কলকাতার প্রৌঢ়ের মেয়ের মুখে ভয়ঙ্কর তথ্য
কুম্ভে দিয়ে মৃত্যু কলকাতার প্রৌঢ়েরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 30, 2025 | 11:44 AM
Share

কলকাতা: মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্ততপক্ষে ৩০ জনের। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার এক প্রৌঢ়ের। ছেলে-মেয়ে ও বোনের সঙ্গে কুম্ভে গিয়েছিলেন কলকাতার ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাসন্তী পোদ্দার। জানা গিয়েছে, হুড়োহুড়ির মধ্যে আচমকাই পড়ে যান তিনি। আর উঠতে পারেননি। তাঁর ওপর দিয়েই চলে যায় হাজারও পা। প্রৌঢ়ের শরীর পিষে যায় হাজারও পায়ের চাপে। তাঁকে যতক্ষণে উদ্ধার করা সম্ভব হয়, মৃত্যু হয় তাঁর। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই তাঁর ছেলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দেহ।

মৃতার ছেলে জানিয়েছেন, এখন দেহের ময়নাতদন্ত হয়নি। বাসন্তী পোদ্দারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন, এলাকার কাউন্সিলর তপন দাশগুপ্ত।

সেই সময়ে ঠিক কী হয়েছিল? বাসন্তীর মেয়ে জানিয়েছেন, মাকে আগলে নিয়েই চলছিলেন তাঁরা। কিন্তু আচমকা ভিড় বাড়তে থাকে। আর তা সামলাতে পারেননা নিরাপত্তারক্ষীরা। প্রশাসনিক কর্মীরাও ভীষণভাবে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে ভাঙে ব্যারিকেড। ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার পরই জনপ্লাবন। আর তারপরই তাঁর মা টাল সামলাতে পারেননি, পড়ে যান। কুম্ভমেলায় চরম অব্যবস্থার অভিযোগ এনেছেন তাঁর মেয়ে। তাঁর বক্তব্য, ইসকনের কয়েকজন এসে তাঁর মাকে তোলেন। কিন্তু প্রশাসনের কাউকে সে সময়ে পাওয়া যায়নি।

মৃতার মেয়ে বলেন, “আমরা সবাই আহত। হঠাৎ করেই যেন পিছন থেকে ওরা আসতে শুরু করল। আসলে যা প্রচণ্ড চাপ আসছিল একটা সময়ে ব্যারিকেড ভেঙে যায়। কিন্তু ঘটনার সময়েই পুলিশ প্রশাসন কাউকে পাওয়া যায়নি। পুলিশি ব্যবস্থা ওখানে অত্যন্ত খারাপ, খুবই দেরিতে পৌঁছাচ্ছিল তারা।” কলকাতার বাড়িতে থেকে গিয়েছিলেন স্বামী। এখন শোকস্তব্ধ। স্ত্রীর এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তিনি। মৃতার জা বলেন, “ভাবিনি কখনও ও এভাবে চলে যাবে। ওর ছেলে-মেয়ে আর বড়দির সঙ্গে গিয়েছিল।”

Follow Us