License Suspension: খোলা দরজার একটা পাল্লা, লাইসেন্স বাতিল, বন্ধের নির্দেশের পরও মিষ্টির দোকান খুলেছেন মালিক, প্রশ্ন করতেই উত্তর যা এল…
Matri Mishtanna Bhandar: কিছুদিন আগেও খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়েছিলেন ওই দোকানে। লাইসেন্স সাসপেনশনের যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্ট করে দিয়েছে, প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকার কারণেই লাইসেন্স সাসপেনশন করা হয়েছে।

কলকাতা: মঙ্গলবারই কলকাতা পুরনিগম স্পষ্ট করে দিয়েছিল। তালিকায় জ্বলজ্বল করছে নাম। গতকালই লাইসেন্স সাসপেন্ড করে দোকান মালিককে বলে দেওয়া হয়েছিল, আজ বন্ধ থাকবে দোকান। কিন্তু তারপরও বুধবার সকালে দেখা গেল দোকান খুললেন মালিক। ২ নম্বর ধাপা রোডের মিষ্টির দোকান মাতৃ মিষ্টান্ত ভান্ডারের লাইসেন্স সাসপেন্ড করেছে কলকাতা পুরনিগম। পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, ৪০ টি সংস্থাকে সাসপেনশন করা হয়েছে। সংস্থাগুলো যখন তাদের সব নিয়ম মেনে আবেদন করবে, তখন সেটা দেখা হবে। কিন্তু কার্যত সেই নির্দেশকে অমান্য করেই দোকান খুললেন মাতৃ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক পলাশ মিশ্র।
বুধবার সকালেও দেখা গেল দোকানের একটি দরজা খুলে চলছে বেচাকেনার কাজ। মিষ্টির দোকানের মালিক পলাশ মিশ্রের দাবি, বন্ধ নয় লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু মিষ্টি কিছু থাকায় খোলা হয়েছে, তবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। পলাশ মিশ্র বলেন, “মিষ্টির দুধের প্রোডাক্ট। ও তো রাখা যাবে না। হঠাৎ করেই যদি বন্ধের নোটিস আসে, আমাদের বিশাল ক্ষতি হয়ে যাবে। একটা শাটার বন্ধ। যতটা নিয়ম মানা চেষ্টা করছি। ফ্রন্ট সাইডও বন্ধ করে রাখব তাড়াতাড়ি।”
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেও খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়েছিলেন ওই দোকানে। লাইসেন্স সাসপেনশনের যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে স্পষ্ট করে দিয়েছে, প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকার কারণেই লাইসেন্স সাসপেনশন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার যে ৪০ টি দোকানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে, তার মধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁর পাশাপাশি একাধিক মিষ্টির দোকানও রয়েছে। রয়েছে টলিগঞ্জের বলরাম মল্লিক ও রাধারমন মল্লিকের মিষ্টির দোকানও। পুরনিগমের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, পুজো আসছে তাই মিষ্টির দোকান গুলোর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার দরকার।
