Madan Mitra: ‘অভিষেক আলেকজান্ডার… অভিষেক ব্রহ্মাস্ত্র’, ভোটের আগে ‘সেনাপতি’র ভূয়সী প্রশংসা মদন মিত্রের
অভিষেকই কি এবার সত্যিই নন্দীগ্রাম থেকে লড়বেন? সে ব্যাপারে উত্তর এড়িয়েই গিয়েছেন মদন মিত্র। তিনি শুধু বলেন, "শুভেন্দুর উইকেট ফেলতে অস্ত্র অভিষেক। ব্রহ্মাস্ত্রের মতো অভিষেক-অস্ত্র।" তিনি আরও বলেন, "নবজোয়ারের পর এ একেবারে আলাদা অভিষেক, দুর্দান্ত অভিষেক। এবার অভিষেকই শুভেন্দুর উইকেট ফেলে দেবে। তার জন্য কী করতে হয়, সেটা অভিষেক জানে।"

কলকাতা: অভিষেককে ‘ছোট ভাইয়ের মতো’ বলে সম্বোধন করলেও বরাবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মেনে এসেছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে আসা আইপ্যাক সম্পর্কেও একসময় নেতিবাচক মন্তব্য করেন মদন মিত্র। এবার ভোটের মুখে সেই অভিষেকের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনিই।
নন্দীগ্রাম থেকে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করবেন কি না, এই জল্পনার মাঝেই মদন মিত্র বলে দিলেন, “শুভেন্দু এবার ৫০ হাজার ভোটে হারবে। শুভেন্দুকে হারাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়োজন নেই, সেনাপতি অভিষেক।” নন্দীগ্রামে অভিষেকের করা সেবাশ্রয়ই যে গেম চেঞ্জার হবে, তেমনটাও দাবি করেছেন মদন মিত্র। তাঁর কথায়, অভিষেক আলেকজান্ডারের মতো কৌশল তৈরি করে কাজ করছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।
TV9 বাংলার মুখোমুখি হয়ে মদন বলেন, “আলেকজান্ডারের মতো ম্যাপিং করেছেন অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন উত্তরে থাকেন, অভিষেক সে দিন দক্ষিণে। আমাদের তো কাজই কাজ করতে হচ্ছে না। নবজোয়ারের পর এ একেবারে আলাদা অভিষেক, দুর্দান্ত অভিষেক। এবার অভিষেকই শুভেন্দুর উইকেট ফেলে দেবে। তার জন্য কী করতে হয়, সেটা অভিষেক জানে। অভিষেক এমন ভাবে ম্যাপ করেছে, একটা জায়গাও বাদ যাচ্ছে না।”
তবে অভিষেকই কি এবার সত্যিই নন্দীগ্রাম থেকে লড়বেন? সে ব্যাপারে উত্তর এড়িয়েই গিয়েছেন মদন মিত্র। তিনি শুধু বলেন, “শুভেন্দুর উইকেট ফেলতে অস্ত্র অভিষেক। ব্রহ্মাস্ত্রের মতো অভিষেক-অস্ত্র।”
একসময় মদন মিত্র বলেছিলেন, “যেটুকু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়ে কালি লেগেছে, তা প্যাকওয়ালাদের জন্য। প্যাকওয়ালাদের জন্যই বাংলার বাইরে থেকে সুযোগসন্ধানী একদল এল। কোনও প্যাক ছাড়াই আমরা উপনির্বাচনগুলো জিতেছি, মিটিং মিছিল করেছি।”
মদন মিত্রের কথায়, বিচলিত নয় বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করেছে ভাল কথা। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেনি, ছানাপোনারা জিততে পারে কি না, চেষ্টা করে দেখুক।” যদি রাজ্যে স্বাস্থ্য থাকবে, তাহলে সেবাশ্রয়ের কী দরকার, সেই প্রশ্নও তুলেছেন সজল। তাঁর দাবি, বারবার প্রমাণ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গোলোযোগ আছে।
