AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kunal Ghosh: সুদীপ ‘বিদ্রোহী’ হতেই কুণালকে বড় দায়িত্ব দিলেন মমতা

Kunal Ghosh New TMC Role: শুধু সুদীপ নয়, দলের পদ থেকে সরানো হল সায়নী ঘোষকে। যাদবপুরের সাংসদও বিদ্রোহীদের দলে নাম লিখিয়েছেন। তাঁকে যুব সভাপতির পদ থেকে সরানো হল। যুব সভাপতি করা হল অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দলের এই ভাঙনের সময়ও মমতার হাত না ছাড়ার 'পুরস্কার' পেলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়। তাঁকে তৃণমূলের লোকসভা দলের উপদেষ্টা করা হল। তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতিতে নেওয়া হয়। জাতীয় কর্মসমিতিতে জায়গা পেলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও।

Kunal Ghosh: সুদীপ 'বিদ্রোহী' হতেই কুণালকে বড় দায়িত্ব দিলেন মমতা
কুণাল ঘোষকে কী দায়িত্ব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 13, 2026 | 10:29 PM
Share

কলকাতা: তৃণমূলের এই ‘দুঃসময়ে’ তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রয়েছেন। প্রতিদিন এই বার্তা দিচ্ছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিক্ষুব্ধ বিধায়ক-সাংসদদেরও প্রতিনিয়ত নিশানা করে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলে বড় দায়িত্ব পেলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় নাম তুলতেই কুণালকে তৃণমূলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করলেন মমতা। একইসঙ্গে এদিন তৃণমূলের একাধিক পদে রদবদল হল।

কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্যায় তৃণমূলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান ছিলেন এতদিন। এর আগে সুদীপ তৃণমূলের উত্তর কলকাতার সভাপতি ছিলেন। কিন্তু, বছর খানেক আগে উত্তর কলকাতায় সুদীপকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে কোর কমিটি করে দিয়েছিলেন মমতা। আর সাংগঠনিক এই জেলার চেয়ারম্যান করা হয় সুদীপকে। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, উত্তর কলকাতায় দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এক বছর আগে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মমতা।

বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ যখন মমতার হাত ছাড়ছেন, এদিন সেই দলে নাম লিখিয়েছেন সুদীপও। দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দেখা করেছেন অমিত শাহর সঙ্গেও। আর সুদীপ বিদ্রোহী হতেই তড়িঘড়ি কুণালকে দলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ঘোষণা করলেন মমতা।

কুণালকে বিভিন্ন সময় সুদীপের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে। এর আগেও তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছাড়ার পর সুদীপকে নিশানা করেছিলেন কুণাল। এদিন সুদীপ বিদ্রোহী হতেই কলকাতা উত্তরের সাংসদকে কটাক্ষ করেন বেলেঘাটার বিধায়ক। বলেন, “সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। শুধু ওমন একজন পরচুলওয়ালা লোক নয়, তার সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে। ফলে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। উনি একাধিক বার দল পরিবর্তন করেছেন।” তিনি এও বলেন, “এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য-পাওনা এই ধরনের জিনিসপত্রকে মাথায় তুলে রেখেছিলেন। তাপস রায়কে চলে যেতে হল ওর জন্য। অথচ তাপস রায় দক্ষ নেতা। উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে কেঁদে-কেঁদে বলছেন আমায় উত্তর কলকাতার সভাপতি আবার করে দাও।”

শুধু সুদীপ নয়, দলের পদ থেকে সরানো হল সায়নী ঘোষকে। যাদবপুরের সাংসদও বিদ্রোহীদের দলে নাম লিখিয়েছেন। তাঁকে যুব সভাপতির পদ থেকে সরানো হল। যুব সভাপতি করা হল অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দলের এই ভাঙনের সময়ও মমতার হাত না ছাড়ার ‘পুরস্কার’ পেলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়। তাঁকে তৃণমূলের লোকসভা দলের উপদেষ্টা করা হল। তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতিতে নেওয়া হয়। জাতীয় কর্মসমিতিতে জায়গা পেলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও।

Follow Us