Mamata Banerjee: ‘জেলার মুখ্যমন্ত্রী? এত সাহস পাও কোথা থেকে?’, কাজল শেখকে ধমক মমতার
Mamata Banerjee: সম্প্রতি পৌষ মেলা নিয়ে একটি প্রস্তুতি বৈঠক ডাকা হয়েছিল বীরভূমে। সেই বৈঠকে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার পাশে বিকাশ রায় চৌধুরীর চেয়ার ছিল। অভিযোগ, কেন মন্ত্রীর পাশে তাঁর চেয়ার নেই এই নিয়ে রেগে বৈঠক ছাড়েন কাজল শেখ। সেই প্রসঙ্গ এদিন উঠে আসে কালীঘাটের বৈঠকে।

কলকাতা: অনুব্রতর হাতে জেলার ভার দিয়ে বরাবরই নিশ্চিন্তে থেকেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আমলে বীরভূম জেলায় নিশ্চিত ছিল ঘাসফুলের জমি। কিন্তু অনুব্রত জেলে যাওয়ার পর আর কারও হাতে ওই জেলা ছাড়তে পারেননি মমতা। কেষ্ট মণ্ডলের হাতে থাকা জেলা সভাপতি পদও দেননি কাউকে। দলনেত্রী নিজের হাতে রাশ রেখেই সামলাচ্ছেন বীরভূম। রাজনৈতিক মহলে শোনা যাচ্ছিল ওই জেলায় আর এক নেতা কাজল শেখের উত্থানের কথা। কোর কমিটির দায়িত্বও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মমতার কাছে অনুব্রতর জায়গা নেওয়া তো দূরের কথা, মাস কয়েকের মধ্য়েই সর্বসমক্ষে ধমক পর্যন্ত খেতে হল সেই কাজলকে।
মঙ্গলবার কালীঘাটে বীরভূমের নেতাদের নিয়ে বৈঠকের মাঝেই জোর ধমক দিলেন কাজল শেখকে। বুঝিয়ে দিলেন নিজেকে বেশি ক্ষমতাবান ভাবার কোনও কারণ নেই। এদিন নতুন যে কোর কমিটি মমতা গঠন করেছেন ওই জেলার জন্য, সেখানেও ঠাঁই হয়নি কাজল শেখের।
সম্প্রতি পৌষ মেলা নিয়ে একটি প্রস্তুতি বৈঠক ডাকা হয়েছিল বীরভূমে। সেই বৈঠকে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার পাশে বিকাশ রায় চৌধুরীর চেয়ার ছিল। অভিযোগ, কেন মন্ত্রীর পাশে তাঁর চেয়ার নেই এই নিয়ে রেগে বৈঠক ছাড়েন কাজল শেখ। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সে প্রসঙ্গ তুলে মমতা কাজলকে বলেন, ‘এত সাহস পাও কোথা থেকে! দল, প্রশাসনের মুখ পুড়ল বিশ্বভারতীর কাছে।’
শুধু তাই নয়, কাজলের নাম না করে মমতা এদিন বলেন, ‘কেউ কেউ বলে বেড়াচ্ছে সে নাকি জেলার মুখ্যমন্ত্রী। কীসের জেলার মুখ্যমন্ত্রী?’ অভিযোগ, কাজল শেখকে নিয়ে এমন কথা শোনা গিয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। মমতা বলেছেন, কেষ্ট থাকতে কখনও সংগঠন নিয়ে ভাবতে হয়নি। উল্লেখ্য, কোর কমিটি থেকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র নানুর বিধানসভা এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখকে।
