Mamata Banerjee: 30বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট করছে খাঁ খাঁ! দেখাই মিলল না, কুণাল-দোলাদের কোর্টে বল ঠেলে ‘উধাও’ মমতা!
Mamata Banerjee Kolkata Protest March: বাস্তবে কলকাতাতেও উলটপুরাণ। বেলা আড়াইটের পরও দেখা মিলল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেক্ষেত্রে মিছিলের সামনের সারিতে কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনরা। ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরও। মমতা তৃণমূলের একাধিক মুখকে দেখা গেলেও দেখা মিলল না খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

কলকাতা: দিল্লিতেও হঠাৎ তাঁর ইউ-টার্ন! রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সুপ্রিম কোর্ট যাত্রার মিছিলে না হেঁটে কলকাতায় ফিরে এসেছেন তিনি। জ্ঞানেশ বিতর্কের আঁচে কলকাতার রাজপথ তপ্ত করতে মিছিলের ডাকও দেন। রাজাবাজার থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী পরবর্তী পর্যায়ে মমতা তৃণমূলের কার্যত এটাই বড় কর্মসূচি। তৃণমূলের তরফে খবর ছিল, এদিন মিছিলে মমতা যোগদান করতে পারেন। কেবল মমতা নন, আজ মিছিলে দক্ষিণী অভিনেতা প্রকাশ রাজও যোগ দিতে পারেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছিল।
কিন্তু বাস্তবে কলকাতাতেও উলটপুরাণ। বেলা আড়াইটের পরও দেখা মিলল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেক্ষেত্রে মিছিলের সামনের সারিতে কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনরা। ছিলেন প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরও। মমতা তৃণমূলের একাধিক মুখকে দেখা গেলেও দেখা মিলল না খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শেষমেশ 30বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ঢুঁ!, সেখানে গিয়েও দেখা গেল কোনও প্রস্তুতি নেই। মমতার কনভয় অথবা নিরাপত্তা বাহিনী, কোনওটার ই দেখা পাওয়া গেল না পৌনে দুটো পর্যন্ত।
নির্বাচনী পর্বে বারবার কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছিলেন, যাতে কোনওভাবেই একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ না যায়। কমিশনও বারবার জানিয়েছে, একজন যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলায় প্রায় ২৭ লক্ষের বেশি ভোটারকে অযোগ্য বা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। SIR নিয়ে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র প্রতিবেদন এই ইস্যুকে আবার নতুন করে জাগ্রত করে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের ৩ সদস্যের মধ্যে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১০ মাসে প্রায় ১৪টি বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয় ইন্ডি জোট। আর তাতে সামিল হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দিল্লি পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতাতেও আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে মমতার এই পদক্ষেপ। কিন্তু, এদিন এখনও দেখা গেল না তাঁকে।
