Mamata Banerjee: ‘পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক’, বিমান দুর্ঘটনায় মহরাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুতে কী পোস্ট করলেন মমতা?
Mamata Banerjee On Maharashtra Plane Crash: Learjet 45 চাটার্ড বিমান, মূলত এই বিমান বিজনেস ট্র্যাভেলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ২০০৩ সালে এই ফ্লাইটকে ভারতের আকাশে সম্পূর্ণভাবে এর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই সময় এই ফ্লাইটে একাধিক যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। এয়ার প্রেসার থেকে উইন্ড শিল্ড নানা ক্ষেত্রে সমস্যা ধরা পড়ে।

কলকাতা: বারামতিতে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের।ঘটনায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথাযথ তদন্তের দাবি জানালেন। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। দুর্ঘটনায় অজিত পওয়ার, পাইলট-সহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
Deeply shocked and stunned by the suddden demise of Ajit Pawar! The Deputy Chief Minister of Maharashtra and his co-passengers have died in a disastrous plane crash at Baramati today morning, and I am feeling a deep sense of loss.
My condolences to his family including his uncle…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) January 28, 2026
বারামতি, সকাল থেকেই মহারাষ্ট্রের এই এলাকায় ঘন কুয়াশা ছিল। যে এলাকায় অজিত পওয়ার যাচ্ছিলেন, সেটি একটি পাহাড়ি এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে বিমানটি যখন যাচ্ছে, সেখানকার আবহাওয়া সম্পর্কে আগাম খবর কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা অত্যাবশ্যক। তা সত্ত্বেও কেন অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জানা যাচ্ছে, সকাল থেকে ওই এলাকায় দৃশ্যমানতা সম্পূর্ণভাবে শূন্য ছিল। পাশাপাশি এয়ারক্রাফ্টের উড়ানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। এয়ারক্রাফ্টের উড়ানের আগে ইঞ্জিনিয়াররা প্রত্যেকটি প্রযুক্তিগত দিক খতিয়ে দেখেন। গ্রিন সিগন্যাল পওয়ার পরই উড়ান গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়।
যখন একজন ভিভিআইপি যাত্রা করেন, রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী যাত্রা করছেন, সেক্ষেত্রে এই পরীক্ষা নিরীক্ষা আরও জোরাল হয়। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি কোথাও সেখানেই ফাঁক থেকে গিয়েছে।
Learjet 45 চাটার্ড বিমান, মূলত এই বিমান বিজনেস ট্র্যাভেলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ২০০৩ সালে এই ফ্লাইটকে ভারতের আকাশে সম্পূর্ণভাবে এর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই সময় এই ফ্লাইটে একাধিক যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। এয়ার প্রেসার থেকে উইন্ড শিল্ড নানা ক্ষেত্রে সমস্যা ধরা পড়ে। উঁচুতে ওড়ার সময় এর উইন্ড শিল্ডে একাধিকবার ফাটলও দেখা দেয়। এই সব যান্ত্রিক ক্রুটির জন্য দীর্ঘ সময় এই বিমানের চলাচল বন্ধ করা হয়। পরে আবারও রিমডেলিং করে তা চালু করা হয়। তাই উড়ানের আগে এই বিষয়গুলো আরও ভাল করে খতিয়ে দেখা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বুধবার সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ বারামতিতে পাহাড়ি এলাকায় অবতরণের সময়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ভেঙে পড়ার সময়ে আগুন ধরে যায় তাতে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ঘন কুয়াশার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
