Falta Poll: প্রিসাইডিং অফিসার কীভাবে বললেন ভালোভাবে ভোট মিটেছে? অফিসারদের আচরণ নিয়েই অভিযোগ ফলতায়
Repoll in Falta: প্রায় ৪০-টির বেশি বুথে এই ধরণের অভিযোগ আসার পরও রিটার্নিং অফিসার ও সাধারণ পর্যবেক্ষক কোনও রিপোল নেই, এটা লিখে ফর্ম ১৭সি জমা দিলেন কেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে। এছাড়াও কমিশনের নজরে রয়েছেন সাধারণ পর্যবেক্ষকও।

কলকাতা: ফলতায় শুধু রিপোল নয়, শাস্তির মুখে পড়তে পারেন কমিশনের একগুচ্ছ আধিকারিক ও কর্মীরা! ফলতায় গোটা বিধানসভা এলাকাতেই পুনর্নিবাচন ঘোষণা করেছে কমিশন, যা নজিরবিহীন বলেই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু এতে কমিশনের সমালোচনাও কম হচ্ছে না। এতকিছুর পরও একটি, দুটি নয়, গোটা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচন কেন করতে হল, প্রশ্ন অনেকেরই। তবে কি বজ্র আটুঁনি ফস্কা গেরো?
দিল্লিতে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। নিজেদের অফিসারদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করা হয়েছে। ফলতায় ভোটের দিন প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার এমনকী সাধারণ পর্যবেক্ষকের আচরণ নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্টে। প্রথমত প্রশ্ন উঠেছে, প্রিসাইডিং অফিসার কীভাবে লিখতে পারেন যে ব্ল্যাক টেপ ছিল, সেটা সরানো হয়েছে এবং তারপর ভালোভাবেই ভোট মিটেছে। তাহলে বেলা ১টা পর্যন্ত কেন তিনি রিপোর্ট দিলেন না।
দ্বিতীয়ত, প্রায় ৪০-টির বেশি বুথে এই ধরণের অভিযোগ আসার পরও রিটার্নিং অফিসার ও সাধারণ পর্যবেক্ষক কোনও রিপোল নেই, এটা লিখে ফর্ম ১৭সি জমা দিলেন কেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে। এছাড়াও কমিশনের নজরে রয়েছেন সাধারণ পর্যবেক্ষকও। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত আসছেন শুনেও তিনি অপেক্ষা না করেই চলে যান।
স্ক্রুটিনি হল, অথচ সেখানে বিজেপিকে ডাকা হয়নি বলে ওই পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি হতে পারে এইসব কর্তাদের। শাস্তি হিসেবে সাসপেনসন থেকে শুরু করে চাকরিও যেতে পারে।
