Rachna Banerjee: বিদ্রোহী সাংসদরা টাকা পেয়েছেন? রচনা বললেন, ‘মিথ্যে-মিথ্যে-মিথ্যে’
এ দিন টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে রচনা বলেন, "কেন এই ধরনের কথা বলো? কোনও প্রমাণ আছে? একটা যদি সততা থাকে। মিথ্য়ে-মিথ্যে-মিথ্যে। খালি বলে যাচ্ছে গদ্দার-টাকা নিচ্ছে। আসলে আমাদের চোর বলতে পারবে না। তাহলে কার উপরে আওয়াজ তুলে কথা বলছ? কাচের ঘরে থাকা লোক কখনও অন্যের ঘরে পাথর ফেলে না।"

কলকাতা: পালা বদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়েছেন তাঁর দলের কুড়িজন সাংসদ। তাঁর মধ্যে রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Rachna Banerjee)। তবে, এখনও যাঁরা মমতার সঙ্গে রয়ে গিয়েছেন সেই কালীঘাটপন্থী সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দলবদলুদের লক্ষ-লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। সত্যিই কি টাকা পেয়েছেন তাঁরা?
এ দিন টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষুব্ধ কণ্ঠে রচনা বলেন, “কেন এই ধরনের কথা বলো? কোনও প্রমাণ আছে? একটা যদি সততা থাকে। মিথ্য়ে-মিথ্যে-মিথ্যে। খালি বলে যাচ্ছে গদ্দার-টাকা নিচ্ছে। আসলে আমাদের চোর বলতে পারবে না। তাহলে কার উপরে আওয়াজ তুলে কথা বলছ? কাচের ঘরে থাকা লোক কখনও অন্যের ঘরে পাথর ফেলে না।”
সম্প্রতি এই আরও এক NCPI সাংসদ শতাব্দী রায়ও এই নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “উনি প্রমাণ দিতে পারেননি। তবে, প্রমাণ দিতে হবে ওকে একদিন না একদিন। আর উনি প্রমাণ ছাড়া কথা বলছেন। সারা ভারত ও সারা পৃথিবীর যাঁরা মহুয়াকে চেনেন তাঁরা প্রমাণ পেয়ে গিয়েছিলেন যে উনি কী ডিল করে হিরানন্দানির থেকে টাকা নেন। উনি একমাত্র পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। আমাদের কেউ সেটা হয়নি। আমাদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কাজের প্রমাণ নেই। তাই ডিল করতে গেলে কী টাকা দিতে হয় সেটা উনি হয়ত জানেন।”
NCPI সাংসদদের উদ্দেশে কী বলেছিলেন মহুয়া?
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া মৈত্র লিখেছিলেন, “তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা পেয়েছেন ৪ কোটি টাকা। ৩৬ মাস পর্যন্ত প্রতিমাসে ১ কোটি করে পাবেন।” এরপরই আসরে একে একে মন্তব্য করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। আজ প্রতিক্রিয়া দিলেন রচনাও।
