Suvendu Adhikari: খোলা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, নেপালে নিখোঁজদের পরিবারগুলিকে আশ্বাস শুভেন্দুর
Nepal floods missing Bengalis: কৈলাস যাত্রায় গিয়ে নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা রায়। মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশ রায় ও তাঁর কন্যাকেও এদিন আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। দমদম থেকে একজন মহিলা হাত জোড় করে তাঁর পরিজনকে খুঁজে দেওয়ার আবেদন করেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "হাত জোড় করবেন না। আমরা পাশে আছি।"

কলকাতা: নেপালে নিখোঁজ রাজ্যের বাসিন্দাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আগেই কন্ট্রোল রুম খুলেছে শুভেন্দু-সরকার। এবার নিখোঁজদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিলেন। এমনকি, নিখোঁজদের পরিজনদের কথা মতো একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার কথাও জানালেন। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, বাংলার ৩৯ জন নাগরিক নেপালে আটকে পড়েছেন। তার মধ্যে ২ জনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। বাকি ৩৭ জনের এখনও কোনও খোঁজ নেই। নিখোঁজের তালিকায় প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল রায়ের পুত্রবধূও রয়েছেন। এদিন তাঁর পরিবারও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনলাইনে কথা বলেন।
এদিন অনলাইনে নেপালে নিখোঁজদের পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, দমদম-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নিখোঁজদের পরিবারগুলি অনলাইনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে সবাইকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিদেশমন্ত্রী সব কিছুর খোঁজখবর রাখছেন। রাজ্য সরকার কাজ করছে। আমরা গতকাল দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছি। তাতে আমরা খুশি। আরও মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারব বলে আশা করছি। আমি নিজে মনিটরিং করছি।”
কৈলাস যাত্রায় গিয়ে নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা রায়। মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশ রায় ও তাঁর কন্যাকেও এদিন আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। দমদম থেকে একজন মহিলা হাত জোড় করে তাঁর পরিজনকে খুঁজে দেওয়ার আবেদন করেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাত জোড় করবেন না। আমরা পাশে আছি।” শুভেন্দু জানান, যে দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে, তাঁরা বসিরহাটের বাসিন্দা। তাঁদের বিমানে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
কসবা থেকে এক নিখোঁজের পরিবার জানতে চান, নিখোঁজ পরিবারের লোকেরা যদি নেপালে যেতে চায়, তাহলে কি সেটা সম্ভব? মুখ্যমন্ত্রী তখন বলেন, “সরকার আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ সাজেশনগুলো আমরা দেখব। আমরা নিখোঁজ কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলে নেপালে অবশ্যই টিম পাঠাব। ভারত সরকারের সঙ্গে নেপাল সরকারের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমরা সবটাই জানিয়ে দেব আপনাদের। চিন্তা করবেন না।”
দুর্গাপুরের এক পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করার জন্য। যেখান থেকে সবাই তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তা শুনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হবে। শেষে তিনি জানান, ৩৭ জনের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা যায়নি।
