AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Chandra Bose joins TMC: বিজেপি ঘুরে তৃণমূলে নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু, ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েই বললেন…

Netaji's grandnephew Chandra Bose joins TMC: এদিন চন্দ্র বসু বলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। তাঁর কথায়, "আমি ভবানীপুরে বিজেপির প্রার্থী ছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপক্ষে প্রার্থী হয়েছিলাম। জিততে পারিনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প এখনও কেউ নেই। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন।"

Chandra Bose joins TMC: বিজেপি ঘুরে তৃণমূলে নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু, ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েই বললেন...
তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ (বাঁদিকে) ও বিধায়ক ব্রাত্য বসুর (ডানদিকে) হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন চন্দ্র বসু (মাঝখানে)Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 12, 2026 | 9:43 PM
Share

কলকাতা: বছর দশেক আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। অবশ্য জিততে পারেননি। দশ বছর পর বাংলায় ভোটের মধ্যে এবার তৃণমূলে যোগ দিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্য চন্দ্র কুমার বসু। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল।

আর এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে নেতাজির পরিবারের সদস্য চন্দ্র বসু বললেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।”

তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তৃণমূলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলায় দিশা দেখিয়েছে তৃণমূল। বিভেদের রাজনীতিকে রুখতে লড়াই করতে হবে বলে মন্তব্য করেন নেতাজির প্রৌত্র।

একইসঙ্গে এদিন চন্দ্র বসু বলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। তাঁর কথায়, “আমি ভবানীপুরে বিজেপির প্রার্থী ছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপক্ষে প্রার্থী হয়েছিলাম। জিততে পারিনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প এখনও কেউ নেই। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন।”

Follow Us