AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Election Commission of India: বাংলার ভোটের আগেই বাড়ি ছেড়ে দিল CEO-র দফতর

Election Commission: ২০০৬ সালে ফের ক্ষমতা দখল করে বামেরা। সেই সময় ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসটিতে অন্যান্য দফতর স্থানান্তরিত হওয়ায়, নতুন করে জায়গার খোঁজ শুরু করে কমিশন। এরপর ২০০৯ সালে দেবাশিস সেনের নেতৃত্বেই সিইও দফতর চলে আসে শতবর্ষ প্রাচীন এই বামার অ্যান্ড লরি ভবনে। যদিও ততদিনে বঙ্গে উঠে গিয়েছে ঘাসফুল ঝড়।

Election Commission of India: বাংলার ভোটের আগেই বাড়ি ছেড়ে দিল CEO-র দফতর
বদলে যাচ্ছে ঠিকানাImage Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 20, 2026 | 4:25 PM
Share

কলকাতা: জল্পনাটা চলছিল অনেকদিন থেকেই। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করেই ঠিকানা বদল করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। বদলে যাচ্ছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা CEO-এর দফতর। দীর্ঘ ১৫ বছর পর শতবর্ষ প্রাচীন বামার অ্যান্ড লরি ভবন ছেড়ে নতুন ঠিকানায় উঠে যাচ্ছেন কমিশনের আধিকারিকরা। শুক্রবার থেকেই জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে জিনিসপত্র গোছানোর কাজ। এবার তাঁরা যাচ্ছেন শিপিং কর্পোরেশনে। 

ফিরে দেখা ইতিহাস

রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের এই দফতর বদলের ইতিহাস কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। ২০০৫ সালে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ছিল খোদ মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। কিন্তু প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিরোধীরা। রাইটার্সে অফিস থাকার অর্থ কি কেন্দ্রীয় কমিশনকে রাজ্য সরকার সহজেই নিয়ন্ত্রণ করছে? এই গুঞ্জনের মাঝেই দিল্লির নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দেয়, অবিলম্বে রাইটার্স থেকে সিইও (CEO)-এর দফতর সরিয়ে নিতে হবে। সেই নির্দেশিকা পেয়েই তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ক্যামাক স্ট্রিটের একটি অফিসে দফতর স্থানান্তরিত করেন।

২০০৬ সালে ফের ক্ষমতা দখল করে বামেরা। সেই সময় ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসটিতে অন্যান্য দফতর স্থানান্তরিত হওয়ায়, নতুন করে জায়গার খোঁজ শুরু করে কমিশন। এরপর ২০০৯ সালে দেবাশিস সেনের নেতৃত্বেই সিইও দফতর চলে আসে শতবর্ষ প্রাচীন এই বামার অ্যান্ড লরি ভবনে। যদিও ততদিনে বঙ্গে উঠে গিয়েছে ঘাসফুল ঝড়। লোকসভা ভোটে তৃণমূলের একাধিক আসন জেতা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রেলমন্ত্রী হওয়া, সব মিলিয়ে বিধানসভাতেও যে ক্ষমতার হাতবদল হতে পারে, সেই আঁচ পেতে শুরু করেছিলেন অনেকেই। শেষমেশ ২০১১ সালে বাম জমানার অবসানের ঠিক আগেই এই ভবনের দু’টি ফ্লোর নিয়ে পাকাপাকিভাবে জোরকদমে কাজ শুরু করে সিইও দফতর। এবার সেখান থেকেও তাঁরা উঠে যাচ্ছে। চলে যাচ্ছে হাইকোর্টের পাশে শিপিং কর্পোরেশনে। 

কেন এই নতুন করে বাড়ি বদলের সিদ্ধান্ত?

কমিশন সূত্রে খবর, এই ভবন পরিবর্তনের তোড়জোড় গত বছরের শেষের দিক থেকেই শুরু হয়েছিল। প্রথমত, কাজের পরিধির তুলনায় বর্তমান অফিসটি বেশ ছোট। তার উপর গত বছর এই ভবনের একতলায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজের চাপে গত বছর বাড়ি বদল সম্ভব হয়নি। তবে চলতি বছরের শুরুতেই ফের তোড়জোড় শুরু হয়। সাধারণত হিন্দু শাস্ত্র মতে, চৈত্র মাসে নতুন গৃহে প্রবেশ বা ‘গৃহপ্রবেশ’ শুভ বলে মানা হয় না। এই নিয়ে দফতরে বেশ আলোচনাও হয়। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আর দেরি করতে রাজি হননি। শুক্রবার থেকে পুরনো অফিসের জিনিসপত্র বাঁধার কাজ শুরু হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকেই সমস্ত আধিকারিকরা একে একে নতুন ভবনে গিয়ে কাজ শুরু করবেন।  

Follow Us