AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

WB Assembly: ‘মোটেও ভাল লাগেনি’, ২ মিনিট বলতে না বলতেই মাইক বন্ধ করে দেওয়ায় বিমানের উপর ক্ষুব্ধ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভন

Kolkata: শনিবার বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী কোন-কোন বক্তা বলবেন তা অধ্যক্ষকে আগেই জানাতে হয়। জানা যাচ্ছে, এই বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল ইস্যুতে বক্তা হিসাবে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল না।

WB Assembly: 'মোটেও ভাল লাগেনি', ২ মিনিট বলতে না বলতেই মাইক বন্ধ করে দেওয়ায় বিমানের উপর ক্ষুব্ধ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভন
কী ঘটেছে?Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 07, 2026 | 3:37 PM
Share

কলকাতা: তিনি পরিষদীয় মন্ত্রী। দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। সেই পরিষদীয় মন্ত্রী শোভন দেবের মাইক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস স্পিকারকে অনুরোধ করেন সময়(শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে) দেওয়ার জন্য। সেই সময়‌ই অধ্যক্ষ বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমায় চাপ দিতে পারেন না।’ সেই সঙ্গে তিনি বলেন, “আপনার নাম আগে ছিল না, থাকলে সময় দিতাম।”

শনিবার বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী কোন-কোন বক্তা বলবেন তা অধ্যক্ষকে আগেই জানাতে হয়। জানা যাচ্ছে, এই বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল ইস্যুতে বক্তা হিসাবে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল না। তবে বলতে ওঠেন তিনি। অরূপ বিশ্বাসের অনুরোধ স্পিকারের সময় দেন। বরাদ্দ করা হয় চার মিনিট। কিন্তু শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় কয়েকটি বাক্য পড়তেই সবুজ আলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তারপরে লাল করে মাইক বন্ধ করা হয়। যা নিয়ে ব্যথিত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আপনি স্পিকার, আপনি সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন।” কিন্তু বিরোধী বিধায়করা অনেকেই যথা সময়ে থাকেন না, আসেন না। পরে এলেও আপনি তাদের সময় বরাদ্দ করেন। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে অধ্যক্ষ নিজে মন্ত্রীর ঘরে যান। কোন‌ও মন্ত্রীর ঘরে কথা বলতে যাচ্ছেন স্পিকার। যা নজিরবিহীন। শোভনদেব বলেন, “আমায় দু’তিন মিনিট বলতে দেওয়া হয়েছিল। তারপর লাল বাতি জ্বালিয়ে দিলেন। অস্বস্তি লাগছিল। আমি বর্ষিয়ান মন্ত্রী। পরিষদীয় মন্ত্রীও বটে। একটু তো ধৈর্য দেখাতে পারত। এই ধরনের কথাবার্তা আমার মোটেও ভাল লাগেনি। উনি যেমন স্পিকার আমিও তো মন্ত্রী। এইটুকু তো সম্মান দেবেন। যাই হোক পরে উনি এসেছিলেন আমার ঘরে।”