PM Narendra Modi: মৃত মৎস্যজীবীদের পরিজনদের সমবেদনা প্রধানমন্ত্রীর, পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা
West Bengal trawler tragedy: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার শঙ্করপুর বন্দর থেকে গত ২ জুলাই মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’ ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে ট্রলারের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ৮ দিন পর ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়। গতকাল রাতে গোবর্ধনপুরের সীতারামপুর উপকূলে নিয়ে আসা হয় ট্রলারটিকে।

বকখালি ও শঙ্করপুর: বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের ট্রলার উল্টে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ৬ মৎস্যজীবী। টানা আট দিন তল্লাশির পর ট্রলারটি বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মৃত মৎস্যজীবীদের পরিজনদের সমবেদনা জানালেন তিনি। একইসঙ্গে মৃতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের কথা জানালেন।
শোকবার্তায় কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?
বঙ্গোপসাগরে ট্রলার উল্টে দুর্ঘটনার খবর জানতে পারার পর এদিন এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ট্রলারডুবিতে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলিকে জানাই সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের নিকটাত্মীয়কে ২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে ৫০,০০০ টাকা করে।”
পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার শঙ্করপুর বন্দর থেকে গত ২ জুলাই মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’ ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে ট্রলারের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ৮ দিন পর ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়।
নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি-
রবিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোবর্ধনপুর থানার পুলিশ, বনফতর এবং ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী বাঘের চরের কাছে ডুবো ট্রলারটি শনাক্ত করে। পরে সেটিকে উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরের সীতারামপুরে আনা হয়। রাতভর উদ্ধারকাজ চালিয়ে ট্রলারের ভিতর থেকে ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই ট্রলারে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। এখনও ৬ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে আজও দিনভর তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তবে তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।
