
কলকাতা: ভোটের আগে সিপিএম ছেড়েছেন প্রতীক-উর-রহমান। যা নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। একধাপ এগিয়ে এখন আবার জল্পনা ছড়িয়েছে হয়ত তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। এই আবহেই মধ্যেই প্রতীক-উরের মান ভাঙাতে ফোন যায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর। কিন্তু বরফ গলেনি তারপরও। তাঁকে কী উত্তর দিয়েছেন প্রাক্তন এই সিপিএম নেতা?
বিমান বসুর গ্রহণযোগ্যতা সিপিএম তথা বামেদের তরুণ ব্রিগেডের মধ্যে ঠিক কতখানি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনও সমস্যায় পড়লে বামেদের তরুণ ব্রিগেড দ্বারস্থ হন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের কাছে। তাঁকে বলা হয় রাজনীতির ভীষ্ম। সেই বিমানের ফোন প্রতীক-উরের কাছে ‘আদেশ’ হলেও তা পালন করতে পালন যে তিনি এই মুহূর্তে করতে পারলেন না তাও জানিয়েছেন।
টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতীক-উর প্রথমে জানান একটি অচেনা নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন এসেছিল। সেটি বিমান বসুর নম্বর বলা হয় তাঁকে। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমার সঙ্গে বসতে চেয়েছেন। আমি জানাই, আপনার যে কোনও কথা আমার কাছে আদেশ। এই অবস্থায় আমি আপনার মুখোমুখি হতে পারব না।”
প্রতীক-উর জানিয়েছেন, দলের যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেটা তিনি আগেই জানিয়েছেন। কিন্তু সেই সকল ব্যক্তিরা তাঁর চিঠির উত্তর দেননি। যে সময় সদ্য ইস্তফা দেওয়া প্রতীক-উরের দল বদল নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছে সেই সময়ও তিনি জানিয়েছেন, এখনও সিপিএমই করতে চান তিনি। তবে, দলের গোপনীয়তা ভেঙে যে বা যাঁরা তাঁর পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে এনেছেন তাঁদের শাস্তি চেয়েছেন প্রতীক-উর।
এদিন কার্যত আবেগপ্রবণ কণ্ঠে বলেন, “একজন লোক আত্মহত্যা করে কখন? যখন সে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়। একাধিক বার সমস্যার কথা জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এটা তো আমার শেষ সিদ্ধান্ত।”