AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Pratik Ur Rahaman on CPM: ‘দলকে পাঠানো চিঠি ২০ মিনিটের মধ্যেই বাইরে এল কীভাবে? কে ফাঁস করল?’ তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? কার দিকে ইঙ্গিত প্রতীক-উরের?

CPIM: টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতীক-উর-রহমান জানিয়েছেন যে চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁকে দেখা করতে বলেছেন। কিন্তু প্রাক্তন এই সিপিএম নেতার প্রশ্ন, তিনি কোন ভরসায় আলিমুদ্দিনে যাবেন? এই ভরসা না করতে পারার কারণ হিসাবে প্রতীক উর বলেন, "সিপিএমের রাজ্য কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো চিঠি ২০ মিনিটের মধ্যে প্রকাশ্যে চলে আসে। আলিমুদ্দিনে গিয়ে কথা বললে সেই কথারও যে গোপনীয়তা থাকবে তার কি গ্যারান্টি আছে?

Pratik Ur Rahaman on CPM: 'দলকে পাঠানো চিঠি ২০ মিনিটের মধ্যেই বাইরে এল কীভাবে? কে ফাঁস করল?' তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? কার দিকে ইঙ্গিত প্রতীক-উরের?
কে ফাঁস করল?Image Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: Feb 17, 2026 | 11:24 PM
Share

কলকাতা: একটা চিঠি, আর তা নিয়ে বিগত দু’দিন ধরে খবরের আলোচনায় রয়েছে ‘শূন্য’ বামেরা। দলের সঙ্গে ‘খাপ-খাওয়াতে’ না পেরে শীর্ষ নেতৃত্বকে একটি চিঠি লিখেছিলেন সিপিএম-এর প্রাক্তন রাজ্য কমিটির নেতা প্রতীক-উর-রহমান। আর তারপরই তা চলে আসে প্রকাশ্যে। হাতে আসে সংবাদ-মাধ্যমেরও। তখন থেকেই শুরু হয় খবর। কিন্তু দলকে লেখা চিঠি, শীর্ষ নেতৃত্বকে লেখা চিঠি কীভাবে হাতে এল সংবাদ-মাধ্যমের? কে সেই চিঠি ফাঁস করল? এবার এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতীক-উর তবে কার দিকে তিনি ইঙ্গিত করেছেন তা জানা যায়নি। কিন্তু দোষীর উপযুক্ত শাস্তি চেয়েছেন তিনি।

টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতীক-উর-রহমান জানিয়েছেন যে চেয়ারম্যান বিমান বসু তাঁকে দেখা করতে বলেছেন। কিন্তু এই সিপিএম নেতার প্রশ্ন, তিনি কোন ভরসায় আলিমুদ্দিনে যাবেন? এই ভরসা না করতে পারার কারণ হিসাবে প্রতীক উর বলেন, “সিপিএমের রাজ্য কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো চিঠি ২০ মিনিটের মধ্যে প্রকাশ্যে চলে আসে। আলিমুদ্দিনে গিয়ে কথা বললে সেই কথারও যে গোপনীয়তা থাকবে তার কি গ্যারান্টি আছে?” আর তাঁর এই বক্তব্য সত্যিই বামেদের অন্দরের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

বরাবরই রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে বলতে শোনা যায় যে দলের অন্দরের বিষয় সংবাদ-মাধ্যমে আনা হবে না। বামেরা চেষ্টা করে পার্টিগত বিভিন্ন বিষয় অত্যন্ত গোপন রাখার। তারা বারেবারে দলের শৃঙ্খলার কথা বলে। অথচ, সেই দলের এত বড় গোপনীয়তা চলে এল প্রকাশ্যে? প্রতীক-উরের পাঠানো চিঠি কীভাবে ফাঁস হল? কে ফাঁস করল? দলেরই কেউ এর সঙ্গে জড়িত? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বাম নেতা বলেন, “পার্টি যদি পার্টির সত্যিই ভাল চায়, তাহলে যে বা যারা এই চিঠি প্রকাশ্যে আনল তাদের খুঁজে বার করুক। যদি তা না করে, তাহলে বুঝতে হবে কোনও প্যায়ারের লোক বা কাছের লোককে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে।” এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরও সংযোজন, “যাঁরা প্রতীক উর রহমানের চিঠি লিক করল তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। আজ চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। কাল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসবে।” অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন দলের ভিতর এমন কেউ রয়েছেন যে এই গোপনীয়তা ফাঁস করে দিচ্ছে।

প্রতীক-উর বলেছেন, “পরশু সিপিএমের কনফারেন্স কমিটির তালিকা বের হবে। এটাই সময়। এই সময়ে ছাকনি দিয়ে ছেঁকে বার করে নিন। আর যদি ছাঁকা না হয় তাহলে বুঝতে হবে কোনও প্রভাবশালী লোক আছে, যাঁরা কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। তারা পার্টির ভাল চায় না।”