Pratik Ur Rahman: প্রতীক-উরের গলায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের ‘প্রশংসা’! মমতা-অভিষেক সম্পর্কে বললেন…
কার্যত 'লক্ষ্মীর ভান্ডার' স্কিমের প্রশংসা এদিন শোনা যায় প্রতীক-উরের গলায়। তবে একটু ঘুরিয়ে। তিনি বলেন, আমিও একসময় বলেছি, ওটা দান নয়, ওটা ভিক্ষা। ভিক্ষা নয়, অধিকার চাই। তারপর দল (সিপিএম) বলল, 'লক্ষ্মীর ভান্ডার'কে ভিক্ষা বলা যাবে না, ওটা অসংখ্য মা-বোনেদের আত্মমর্যাদার টাকা।'

কলকাতা: সেই কলেজ জীবন থেকে বাম রাজনীতির সঙ্গে যোগাযোগ। সেই থেকে তৃণমূলের সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে সিদ্ধহস্ত তিনি। জেলায় সংগঠন এতটাই মজবুত হতে শুরু করেছিল যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপরেই। লাল পতাকা হাতে যাঁকে দেখতে সবাই অভ্যস্ত, সেই প্রতীক-উরের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ প্রশংসা একটু অবাক করে!
গত কয়েকদিনের প্রতীক-উরের কাজ, বক্তব্যের ক্রম জল্পনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। ঘাসফুল শিবিরের তরফেও জল্পনায় উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, লোকসভা ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বী অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন প্রতীক-উর। কিন্তু তিনি নিজে কী বলছেন?
TV9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রতীক-উর, তাতে অন্য সুর শুনতে পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কার্যত ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ স্কিমের প্রশংসা এদিন শোনা যায় প্রতীক-উরের গলায়। তবে একটু ঘুরিয়ে। তিনি বলেন, “আমিও একসময় বলেছি, ওটা দান নয়, ওটা ভিক্ষা। ভিক্ষা নয়, অধিকার চাই। তারপর দল (সিপিএম) বলল, ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’কে ভিক্ষা বলা যাবে না, ওটা অসংখ্য মা-বোনেদের আত্মমর্যাদার টাকা।'” এখানেই শেষ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রতীক-উর বলেন, “নেতা-নেত্রী নয়, ব্যক্তি হিসেবে একজন ব্যক্তিকে সম্মান করতে হয়। সবার একটা মুখোশ তৈরি করা হয়। মুখোশের ভিতরে একটা মুখ থাকে, সেটা চিনতে হয়।”
দল বদলের সম্ভাবনা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে প্রতীক-উর বলেন, “এতদিন প্রকাশ্যে সিপিএম করেছি। এবার যদি অন্য কোনও দলে যাই, তাহলে প্রকাশ্যে যাব, এ রাতের অন্ধকারে যাব না।”
