Private School: বেসরকারি স্কুলের ফি নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের! বিধানসভায় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
Private School: মঙ্গলবার বিধানসভায় বিজেপি এক বিধায়কের বেসরকারি স্কুলকেন্দ্রীক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, বেসরকারি স্কুলগুলোতে যেভাবে ফি বৃদ্ধি হচ্ছে, তাছাড়াও অভিভাবকদের তরফ থেকেও নানা অভিযোগ জমা পড়েছে।

কলকাতা: বেসরকারি স্কুলে ফি বৃদ্ধি রুখতে বিল আনছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বেসরকারি স্কুলের ব্যয়বৃদ্ধি ইস্যুতে গঠন করা হবে নতুন কমিশনও।
মঙ্গলবার বিধানসভায় বিজেপি এক বিধায়কের বেসরকারি স্কুলকেন্দ্রীক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, বেসরকারি স্কুলগুলোতে যেভাবে ফি বৃদ্ধি হচ্ছে, তাছাড়াও অভিভাবকদের তরফ থেকেও নানা অভিযোগ জমা পড়েছে। তার মধ্যে পড়ুয়াদের ওপর অত্যাধিক চাপ যেমন রয়েছে, স্কুলভবনগুলোর বেহাল দশা নিয়েও অভিযোগ জমা পড়েছে। এই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়েই রাজ্য সরকার একটা কমিশন তৈরি করছে।
পাশাপাশি এই যে অনিয়মগুলোর অভিযোগ আসছে, তা রোখার জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একটা বিল আনা হবে। এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, একাধিক অভিযোগ তাঁদের কাছেও জমা পড়েছে, তাঁরা সেগুলো খতিয়েও দেখেছেন। কিন্তু সব সময়ে সব সমস্যার সমাধান তৎক্ষণাৎ করা যায় না। সেই জায়গা থেকেই এই বিল আনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
এই নিয়ে শিক্ষাবিদ দেবাশিস সরকার বলেন, “বিল এনে যদি লাগাম টানা হয়, সেটা সাধুবাদ বলতে হবে। কিন্তু কেন সমাজের সমস্ত অভিভাবকদের মধ্যে এই প্রবণতা তৈরি হচ্ছে, ছেলেমেয়েদের বেসরকারি স্কুলে পড়াব বেশি পয়সা দিয়ে, সেটাও দেখতে হবে। কারণ সরকারের নিজস্ব সেক্টরে, তা ক্রমাগত দুর্নীতির অভিযোগে দুষ্ট হচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হচ্ছে। বিল আনছে ভাল কথা, তবে নিজের ক্ষেত্রটা বেশি দেখা দরকার।”
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যকে কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু একটি বিশেষ মামলার পর্যবেক্ষণে জানান, গত কয়েক মাসে হাইকোর্টে রাজ্যের একাধিক বেসরকারি স্কুলের অস্বাভাবিক হারে ফি বৃদ্ধি নিয়ে একাধিক অভিযোগ এসেছে। তারই ভিত্তিতে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘চার্জ’ নামে যে ফি বৃদ্ধি হচ্ছে, সেটা অন্যায্য। এটার ওপর কি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না? রাজ্য়কে ‘রাজস্থান মডেল’ও চালু করার পরামর্শ দিয়েছিলেন বিচারপতি। তারপরই রাজ্যের বড় পদক্ষেপ।

