Railway: ট্রেনে বসে চায়ে চুমুক! কোনও বড় বিপদ ডেকে আনছেন না তো? সতর্ক করল রেল
Train: প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করে। যাত্রীদের সুরক্ষা নিয়ে বরাবরই তৎপর রেল। কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি দেখলে অবিলম্বে তা আরপিএফ (RPF) বা কর্তব্যরত স্টেশন কর্মীদের জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।

কলকাতা: দূরপাল্লার ট্রেনে উঠলেই গরম কেটলি হাতে ‘চায়ে গরম-চায়ে গরম’ হাঁক শুনতে পান যাত্রীরা। দীর্ঘ যাত্রাপথে গরম চায়ে চুমুক এক আলাদা আনন্দ দেয় ঠিকই, কিন্তু এই গরম চা যে বিপদ ডেকে আনতে পারে, সে ব্যাপারে এবার সতর্ক করল রেল। ট্রেনের জানালার ধারে বসে গরম ধোঁয়া ওঠা কাপে চুমুক দিলেই চলবে না, ভাবতে হবে চা তৈরি হল কীভাবে?
ট্রেনের সিটের তলায় লুকিয়ে রাখা কোনও ‘পোর্টেবল স্টোভ’ বা প্ল্যাটফর্মের কোণে লুকিয়ে রাখা গ্যাস বার্নার থেকেই তৈরি হয়ে আসে এই চা। আর সেই গ্যাস থেকেই সূত্রপাত হতে পারে বড় বিপদের। এ ব্যাপারে পূর্ব রেলের তরফ থেকে সতর্ক করা হল।
চলন্ত ট্রেনের সংকীর্ণ পরিসরে আগুন থেকে ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারে। এমনকী যাত্রীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিপদ এড়াতে তাই পূর্ব রেলের সমস্ত যাত্রীকে পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছে পূর্ব রেল।
কী কী নিয়ম মানতে বলছে রেল:
১. ট্রেনের কোচ বা প্লাটফর্মে গ্যাস সিলিন্ডার, কেরোসিন স্টোভ বা রাসায়নিক হিটার ব্যবহার নিষিদ্ধ।
২. বিড়ি, সিগারেট বা হুক্কা আগুনের একটি বড় উৎস। এগুলি প্লাটফর্মে জ্বালানো যাবে না।
৩. জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি বা জ্বলন্ত সিগারেটের অংশ ট্রেনের ভেস্টিবিউল বা স্টেশনের ডাস্টবিনে কখনও ফেলা উচিৎ নয়।
৪. শুকনো ঘাস, বাজি, পেট্রোল, থিনার এবং কোনও প্রকার বিস্ফোরক বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
এমন কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি দেখলে অবিলম্বে তা আরপিএফ (RPF) বা কর্তব্যরত স্টেশন কর্মীদের জানানোর পরামর্শ দিয়েছে রেল।
