High Court on Primary Case: ‘মামলার পর মামলা হচ্ছে, শুধু যোগ্যরা চাকরি পাচ্ছেন না’, পর্ষদের ভূমিকায় চরম বিরক্ত বিচারপতি মান্থা
High Court on Primary Case: বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে। একইসঙ্গে জানাতে হবে রাজ্যের বর্তমান শিক্ষকের সংখ্যা কত। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, এই তালিকায় কোনও সুপার নিউমেরারি পোস্টের উল্লেখ করা যাবে না।

কলকাতা: একের পর এক মামলা হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি হচ্ছে না। এমনটাই বললেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। আর এই পরিস্থিতির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকেই দায়ী করলেন বিচারপতি। কোন জেলায় প্রাথমিকের কত ফাঁকা পদ রয়েছে, সেই তালিকা আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে পর্ষদকে। পর্ষদের অসহযোগিতায় এদিন চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট।
বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে। একইসঙ্গে জানাতে হবে রাজ্যের বর্তমান শিক্ষকের সংখ্যা কত। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, এই তালিকায় কোনও সুপার নিউমেরারি পোস্টের উল্লেখ করা যাবে না। বোর্ডের ওই রিপোর্ট পাওয়ার পরই আদালত তার পরবর্তী নির্দেশ দেবে।
আদালতের স্পষ্ট অবস্থান, মামলার জন্য যে সব যোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ আটকে আছে, তাদের নিয়োগ আর কোনওভাবে আটকে রাখা যাবে না। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি মান্থা বলেন, “দিনের পর দিন মামলা চলছে, আর এই মামলার মধ্যে প্রকৃত যোগ্যরা নিয়োগ পাচ্ছেন না। তাঁদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে।” তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে আরও বলেন, “চাকরিতে প্রকৃত যোগ্যরা বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন এবং এই মামলার গেরোয় তাঁদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে।”
২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার উর্দুর প্রশ্নে ভুল ছিল বলে অভিযোগ। সেই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি করতে গিয়েই এমন মন্তব্য করেছেন বিচারপতি মান্থা। আদালত চায়, পর্ষদ এই নিয়োগ নিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করুক। তাঁদের অসহযোগিতাতেই নতুন নিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে মনে করছে হাইকোর্ট।
