AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Riddhi on Indranil Sen: ‘তোর ব্যাঙ্কে ৭ হাজার যাবে, ২ হাজার ব্যাক করিস’, ইন্দ্রনীল ও তাঁর টিম কীভাবে কাটমানি চাইতেন মুখ খুললেন গায়িকা

Indranil Sen: ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "সময় দাও। তখন তো কেউ ভিডিয়ো করেননি। তাঁর নেক্সাসে যাঁরা আছেন...এই কাস্টিং কাউচ এটা সত্য....যাঁরা ওদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তাঁরা বিশাল শিল্পী। সঙ্গীত মেলায় তাঁরা অনুষ্ঠান পান। অথচ তাঁদের গান গাওয়ার যোগ্যতাই নেই।"

Riddhi on Indranil Sen: 'তোর ব্যাঙ্কে ৭ হাজার যাবে, ২ হাজার ব্যাক করিস', ইন্দ্রনীল ও তাঁর টিম কীভাবে কাটমানি চাইতেন মুখ খুললেন গায়িকা
বাঁ দিকে সঙ্গীত শিল্পী ঋদ্ধি বন্ধ্যোপাধ্যায় ও ডানদিকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনImage Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: May 28, 2026 | 2:11 PM
Share

কলকাতা: সঙ্গীত শিল্পী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্র ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অপর সঙ্গীত শিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে নাকি কাটমানি নিতেন ইন্দ্রনীল। এমনকী যে সকল সঙ্গীত শিল্পীরা তাঁকে তোষামোদ করতেন, শুধুমাত্র তাঁরাই সরকারি চাকরি পেতেন, সরকারি অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগও পেতেন তাঁরা। এ প্রসঙ্গে টিভি ৯ বাংলা ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করতেও আমার আত্মসম্মানে বাধে।

ঋদ্ধি কী বলেছেন কাটমানি নিয়ে?

সঙ্গীত শিল্পীর বক্তব্য, ইন্দ্রনীল ও তাঁর টিম প্রথমে গানের অনুষ্ঠান পাইয়ে দিতেন। তারপর সেখান থেকে প্রাপ্ত টাকার খানিকটা ফেরত চাইতেন। তিনি বলেন, “ধরুন ৭ হাজার টাকার একটা অনুষ্ঠান করতাম। সেখান থেকে বলত তোর ব্যাঙ্কে সাত হাজার যাবে। আমায় ২ হাজার ব্যাক করে দিস। মিউজিশিয়ানদের বলা হত, একদিনে ধরো পাঁচটা উৎসব চলছে চার হাজারের। সেখান থেকে এক হাজার টাকা দিয়ে দিস।” এই টাকা কি সরাসরি চাইতেন ইন্দ্রনীল? এই প্রশ্ন টিভি ৯ বাংলা করতেই ঋদ্ধির উত্তর, “এটা সরাসরি বলত। বিশেষ করে ওই যে ঝুনু বলত।

সঙ্গীত শিল্পীর আরও দাবি, পূর্বতন সরকার যে সঙ্গীত মেলার আয়োজন করা হত সেখানেও কাটমানি নেওয়া হত। তিনি বলেন, “সঙ্গীত মেলায় কাটমানি নেওয়া হয়। ইন্দ্রনীল সেনের একজন মিউজিসিয়ান…নাম ঝুনু। প্রবীর মল্লিক। সে যে কীভাবে টাকা নয়ছয় করতেন সমস্ত তথ্য আমার কাছে আছে। তাঁর মেয়ে বড় চাকরি করছে।” এখানে কয়েকজনের নামও বলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, “তৃষা-পারুই-গার্গী ঘোষ সরকারি চাকরি পেয়েছেন। নাজিমকুল হক মিউজিক কলেজের চাকরি করতেন।

বস্তুত, তৃণমূল সরকারের পালা বদলের পর থেকে দলের অন্দরে ক্ষোভের শেষ নেই। বেশির ভাগ নেতা একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন। গোষ্ঠী কোন্দল আগেই ছিল, তবে হারার পর থেকে রাখঢাক আর নেই বললেই চলে। শুধু তাই নয়, এক-একজন হেভিওয়েটের নামে বিস্ফোরক অভিযোগ করছেন নিজের দলের লোক কিংবা অন্য কেউ। এবার সেই রকমই ইন্দ্রনীলের নামে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋদ্ধি।

Follow Us