AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ritabrata and Sandipan on BJP: তৃণমূলে ‘লাস্ট বেঞ্চের’ ঋতব্রত-সন্দীপন কি আস্তে-আস্তে BJP-তে ঝুঁকছেন? শুভেন্দু থাকাকালীনই ঢুকলেন স্পিকারের ঘরে, বেরিয়ে বললেন…

West bengal Assembly: সঙ্গে আরও সংযোজন, "গত পনেরো বছরের যে ধারাবাহিকতা তাতে এটা আশা ছিল না শুভেন্দু অধিকারীর সরকার বিরোধীদের ডাকবেন। কিন্তু তারা এটা ডাকছেন। ফলে এটা ওয়েলকাম মুভ। যে ভাল জোর করে খারাপ বলতে পারব না। আমি সংসদের লাস্ট বেঞ্চে বসতাম। লোকে বলে আমার পারফর্মেন্স খুব ভাল। লাস্ট বেঞ্চে বসে কাটিয়ে দিয়েছি। সন্দীপনও লাস্ট বেঞ্চার।"

Ritabrata and Sandipan on BJP: তৃণমূলে 'লাস্ট বেঞ্চের' ঋতব্রত-সন্দীপন কি আস্তে-আস্তে BJP-তে ঝুঁকছেন? শুভেন্দু থাকাকালীনই ঢুকলেন স্পিকারের ঘরে, বেরিয়ে বললেন...
সন্দীপন এবং ঋতব্রতImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 26, 2026 | 9:33 PM
Share

কলকাতা: পালা বদলের পর কখনও বোর্ড ভেঙে যাচ্ছে, কখনও কাউন্সিলররা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, কখনও দলের বড় বড় নেতারা বিস্ফোরক মন্তব্য করছেন এই আবহের মধ্যে তৃণমূলের ভাঙন নিয়ে আরও জল্পনা ছড়াল। কারণ, মঙ্গলবার অধ্যক্ষের ঘরের সামনে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আর ছিলেন এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে দুই তৃণমূল বিধায়কদের উপস্থিতি জোর জল্পনা। গত পনেরো বছরের ভুল সংশোধন করতে সমস্যা কোথায়? তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য ঋতব্রতর। ঘুরিয়ে তৃণমূল বিধায়কের সমালোচনায় তৃণমূল বিধায়ক। যদিও, দুই বিধায়কই সবটা ‘সৌজন্য’ সাক্ষাৎ বলেই বিতর্ক ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে তাঁদের বাকি মন্তব্য কিন্তু জল আরও ঘোলা করছে বলেই মনে করছেন রাজনীতিবিদদের একাংশ।

সন্দীপন কী বলছেন?

এ দিন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর ঘর থেকে বেরিয়ে এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, “সৌজন্য বিনিময় হয়েছে। তাঁর আন্ডারেই আমি রাজনীতি করতাম। দেখা হল, কথা হল। বিশেষ কিছু নয়। দল তো প্রোটেকশন দিতে পারছে না। আর সেই জন্য নিচুতলার আমাদের মত কর্মীরা প্রশ্নের মুখে পড়ছি। এর কোনও সদুত্তর দিতে পারছি না। দল থেকে তো নির্দেশ দিতে হবে, আমরা কোন পথে এগবো? সেই সব কিছুই পাচ্ছি না তো নিচু তলার কর্মীদের কী পথ দেখাব।

ঋতব্রতর কী বক্তব্য?

আর ঋতব্রত যা বললেন তাও কিন্তু দলবদলের জল্পনাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, “আগের দিন স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাইনি। এমনিও আমরা লাস্ট বেঞ্চার। পার্টিতেও লাস্ট বেঞ্চার। অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করব বলে চেয়েছিলাম। ওঁকে ধন্যবাদ দেখা করেছেন বলে। কথা হয়। আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা করব বলে জানাই। সেই ঘটনাচক্রে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। পনেরো বছর কোনও কাজ যদি না হয় আর তা যদি কোনও সরকার করতে চায়, অসুবিধা নেই।”

সঙ্গে আরও সংযোজন, “গত পনেরো বছরের যে ধারাবাহিকতা তাতে এটা আশা ছিল না শুভেন্দু অধিকারীর সরকার বিরোধীদের ডাকবেন। কিন্তু তারা এটা ডাকছেন। ফলে এটা ওয়েলকাম মুভ। যে ভাল জোর করে খারাপ বলতে পারব না। আমি সংসদের লাস্ট বেঞ্চে বসতাম। লোকে বলে আমার পারফর্মেন্স খুব ভাল। লাস্ট বেঞ্চে বসে কাটিয়ে দিয়েছি। সন্দীপনও লাস্ট বেঞ্চার।”

দিল্লিতেও ঋতব্রত-শুভেন্দু সাক্ষাৎ

তবে প্রশ্ন উঠছে, বারবার লাস্ট বেঞ্চার বলা, কখনও আবার নেতৃত্ব বিভ্রান্ত বলা দুই বিধায়ক কি স্রেফ সৌজন্য সাক্ষাতেই গিয়েছিলেন? এখানেই শেষ নয়, ওয়াকিবহাল মহলের আরও প্রশ্ন, যে সময় স্পিকারের ঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ঠিক তখনই কেন সেখানে গেলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক? এর আগেও দিল্লিতে শুভেন্দুর সঙ্গে বঙ্গভবনে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ঋতব্রতের। হেসে কথা বলেছিলেন দুজনে। তখন ঋতব্রত বলেছিলেন, সবটাই ছিল হঠাৎ সাক্ষাৎ। কিন্তু সব কি ‘হঠাৎ’ করে হচ্ছে? থেকে যাচ্ছে বিস্তর প্রশ্ন।

Follow Us