Mamata-Ritabrata TMC: শিবসেনা, NCP-র মতোই ফ্রিজ় হবে TMC-র প্রতীক? আজ নির্বাচন কমিশনের মুখোমুখি ঋতব্রত শিবির
Ritabrata TMC to Meet Full bench of ECI: তৃণমূলের রাশ কার হাতে থাকবে, সেই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এক্ষেত্রে, নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেটা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সেখানেই উঠে আসছে চার বছর আগের ঘটনা। শিবসেনা, এনসিপির প্রতীক নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন, সেই সিদ্ধান্ত কি তৃণমূলের ক্ষেত্রেও নেওয়া হবে? উঠছে প্রশ্ন।

নয়া দিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাশ কার হাতে থাকবে? আজই কি ফয়সলা হয়ে যাবে? বৃহস্পতিবারই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা (Ritabrata Banerjee)। বুধবারই ৯ জন সাংসদ নিয়ে দিল্লিতে পৌঁছেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। দলের প্রতীক ও নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনে দেখা করেছেন তাঁরা। এরপর জাতীয় নির্বাচন কমিশনেও (Election Commission) একটি চিঠি দেওয়া হয় তৃণমূলের নতুন ব্লকের তরফে। তারপরই, নির্বাচন কমিশনের তরফে আজ ডেকে পাঠানো হয় ঋতব্রতদের।
শিবসেনা ও এনসিপি নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন?
তৃণমূলের রাশ কার হাতে থাকবে, সেই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এক্ষেত্রে, নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেটা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সেখানেই উঠে আসছে চার বছর আগের ঘটনা। ২০২২ সালে যখন শিবসেনা ভেঙে গিয়েছিল, সেইসময় দলের নাম, প্রতীক, সংগঠনের নেতৃত্ব ও ফান্ড কোন পক্ষের হবে, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ও উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা। এছাড়া তিন বছর আগে এনসিপির ক্ষেত্রেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল। সেইসময় অজিত পাওয়ার এনসিপির বিধায়ক-সাংসদদের নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন।
দুই ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল, জাতীয় নির্বাচন কমিশন প্রথমে দলের প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছিল। নাম কোনও পক্ষই ব্যবহার করতে পারবে না বলে আপাতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কমিশনের তরফে। শুনানির পর প্রকৃত শিবসেনা হিসেবে একনাথকে মান্যতা দিয়েছিল কমিশন। কারণ, উদ্ধব ঠাকরের সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়ে, নির্বাচনের অস্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এছাড়া আরও একটা কারণ হল একনাথের হাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক ও সাংসদ ছিল। অন্যদিকে, এনসিপির ক্ষেত্রে সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। তবে, সংখ্যা গরিষ্ঠ বিধায়ক যেহেতু অজিত পাওয়ারের হাতে ছিল, তাই তাঁকে প্রকৃত এনসিপির দাবিদার হিসেবে মান্যতা দিয়েছিল কমিশন।
তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ফ্রিজ় হয়ে যেতে পারে। নতুন প্রতীক দেওয়া হতে পারে দুই পক্ষকেই। তবে, দলের ফান্ড বা তহবিল কার হাতে থাকবে, সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শিবসেনা বা এনসিপির ক্ষেত্রে, ফান্ড নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেয়, কমিশন সেদিকেই তাকিয়ে সব মহল। প্রসঙ্গত, শিবসেনা বা এনসিপির ক্ষেত্রে নেওয়া কমিশনের সব সিদ্ধান্ত এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায় কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।
