Ritabrata-TMC: তৃণমূল প্রতীকেই প্রার্থী দেবে ঋত-শিবির, সিম্বল না পেলে কী হবে?
Trinamool Congress: এখন প্রশ্ন উঠছে, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থীও জোড়াফুল চিহ্নে ভোটে লড়বেন, আবার ঋতব্রত-তৃণমূলও একই প্রতীকে প্রার্থী দেবে কীভাবে? কাকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে? এদিন সেই বিষয়টাও ব্যাখ্যা করেছেন আখরুজ্জামান।

কলকাতা: দুয়ারে হাজির উপ নির্বাচন। অথচ এখনও প্রতীকের মালিকানা বিচার করে উঠতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরের তরফে আবেদন করা হয়েছে কমিশনে। ঋত-শিবির বারবার সময় চেয়েছে, যার বিরোধিতা করেছে কালীঘাট। তবে উপ নির্বাচনে যে প্রার্থী দিতে তারা প্রস্তুত, তা জানিয়ে দিলেন ঋত-শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান।
বুধবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, ঋত শিবিরের সিদ্ধান্ত, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম দুই আসনেই প্রার্থী দেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীকেই মনোনয়ন দেবেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে কমিশন।
এখন প্রশ্ন উঠছে, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থীও জোড়াফুল চিহ্নে ভোটে লড়বেন, আবার ঋতব্রত-তৃণমূলও একই প্রতীকে প্রার্থী দেবে কীভাবে? কাকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে? এদিন সেই বিষয়টাও ব্যাখ্যা করেছেন আখরুজ্জামান।
তিনি জানান, কমিশনকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানানো হবে, যাতে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁদের বিশ্বাস, প্রতীক ঋত-শিবিরেরই থাকবে। উপ নির্বাচন, পুরসভা ভোটে প্রতীক যাতে ব্যবহার করা যায়, সেই চেষ্টাই করছেন তাঁরা। এই বিষয়ে কথা বলতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে যাবে ঋত-শিবিরের ৬ জনের টিম। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক না পেলে কী হবে? আখরুজ্জামান বলেন, “আমরা প্রতীক না পেলে আপনা থেকেই প্রার্থীরা নির্দল হয়ে যাবে।” তবে কোনও জোটে নয়, একা লড়ার কথাই জানিয়েছেন আখরুজ্জামান।
