TMC Inner Clash: সরস্বতী পুজো ঘিরে সংঘাত, ফাটল মাথা! মধ্যরাতে ছুটে গেলেন রত্না
Clash Erupt in Behala: এদিন তৃণমূল বিধায়ক বলেন, '১৩১ নং ওয়ার্ডে ঝামেলা হয়, তা আজ অবধি কেউ শোনেনি। কিন্তু সরস্বতী পুজো নিয়ে একটা বিবাদ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সন্ধ্য়ায় সবটাই মিটিয়ে দেওয়া হয়। তারপর আমি সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফিরে যাই।'

কলকাতা: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে এমন ঝামেলা, মেটাতে মধ্য়রাতে ছুটে আসতে হল খোদ তৃণমূল বিধায়ককে। ঘটনা বেহালা কলেজের। সন্ধ্যা থেকে সরস্বতী পুজো নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল সেখানে। কিন্তু সেই আলোচনাই পরিণত হয় সংঘাতে। প্রথমে বচসা, তারপর হাতাহাতি জড়িয়ে পড়ে বেহালা কলেজের দু’পক্ষের ছাত্রদল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দু’পক্ষই তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত।
এই ঘটনার পর সন্ধ্য়ায় কলেজে যায় পুলিশ। মেটানো হয় বিবাদ। সংঘাত যাতে আবার না তৈরি হয়, তা সুনিশ্চিত করতে দু’পক্ষকেই থানা নিয়ে যায় এই পর্ণশ্রী থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার কথা জানতে পেরে সন্ধ্যাতেই থানায় পৌঁছন বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে সব মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
এদিন তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘১৩১ নং ওয়ার্ডে ঝামেলা হয়, তা আজ অবধি কেউ শোনেনি। কিন্তু সরস্বতী পুজো নিয়ে একটা বিবাদ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সন্ধ্য়ায় সবটাই মিটিয়ে দেওয়া হয়। তারপর আমি সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফিরে যাই।’
সরস্বতী পুজোকে ঘিরে যে বিবাদের সূত্রপাত, তা কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি। রাত গড়াতেই তুঙ্গে ওঠে সংঘাত। বিধায়কের অভিযোগ, তিনি চলে যাওয়ার পর থানা থেকে কয়েক জন যুবক রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। সেই সময় বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে টট্টোর নামে এলাকারই এক দাপুটে নেতার দলবল ওই ছাত্রদের উপর হামলা চালায়। অবশ্য, এই বিক্রম বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে তৃণমূল নয়, বরং বিজেপির লোক বলেই চিহ্নিত করেছেন রত্না। তাঁর কথায়, ‘উনি এক সময় শোভন চট্টোপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিল।’
তৃণমূল বিধায়কের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাণ্ডব চালিয়েছে টট্টোর। বেহালার কলেজের ওই ছাত্রদের ‘পিটিয়ে আধমরা’ করে দিয়েছে তাঁর দলবল। আপাতত এই ঘটনায় দু’জন গুরুতর জখম অবস্থায় এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। একজনের আবার মাথা ফেটে গিয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত টট্টোরের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি। এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিকলুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছে একাংশ। যদিও সেই সবটাই কার্যত খারিজ করে দিয়েছেন বিধায়ক।
