AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Arup Biswas FIR: ‘তোকে দেব কেন? আমার…’, মেসিকে কাছে পেতে সেদিন কী কী করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস? বিস্ফোরক তথ্য

Arup Biswas FIR in Messi event case: ঘটনার পর দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই টাকা ফেরতও দেওয়া হয়। শতদ্রু বলেন,  "ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম। আমার কাছে এমন কিছু ফোন, মেসেজ, ফেসবুকে মেসেজ আসত, যাঁরা টিকিটের দাম ফেরত চেয়ে আমাকে জানাতেন, তাঁদের নাম কিন্তু অনলাইন টিকিট ক্রেতাদের নামের তালিকায় ছিল না। আমার অনলাইন টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩৪ হাজারের কিছু বেশি।"

Arup Biswas FIR: 'তোকে দেব কেন? আমার...', মেসিকে কাছে পেতে সেদিন কী কী করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস? বিস্ফোরক তথ্য
মেসির সঙ্গে অরূপ বিশ্বাস (ফাইল ছবি)Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: May 31, 2026 | 6:54 PM
Share

কলকাতা: মেসি কাণ্ডে এবার প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে পাঁচ ধারায় এফআইআর রুজু করেছেন ইভেন্ট ম্যানেজার শতদ্রু দত্ত। সেদিন মাঠে ঠিক কী কী ঘটেছিল, কীভাবে গোটা বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে তাঁকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল, কীভাবে সেদিন মাঠে কেবল মন্ত্রী ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের প্রভাব খেটেছিল, কীভাবে মেসির কাছে গিয়েছিলেন সকলে, যাতে দর্শকরা বঞ্চিত হলেন, সবটা  TV9 বাংলাকে  বলতে গিয়ে বিস্ফোরক শতদ্রু। তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এই ইভেন্টের আগে থেকে গা-জোয়ারি করে টিকিট নিয়ে কালোবাজারি করেছেন বলে দাবি করেন শতদ্রু।

তিনি বলেন, “প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী আর পুলিশের গাফিলতির জন্য আমার ইভেন্টটা ন্যাচাকার হয়। এই ইভেন্টের অনেক আগে থেকে ক্রীড়া মন্ত্রী আমাকে থ্রেট দিতেন। উনি গা-জোয়ারি করে আমার থেকে ২২ হাজারের ওপর টিকিট নিয়েছিলেন। সেই টিকিট বিক্রি করেছেন, সেটা আমার কাছে ১০০ শতাংশ খবর রয়েছে।”  নিজের দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক ভাগ্নীর জন্য অরূপ বিশ্বাস প্রভাব খাটিয়ে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বানিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন শতদ্রু।

যুবভারতীর মেসি কাণ্ডের জল গড়িয়েছিল অনেক দূর। এই ঘটনার পর দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই টাকা ফেরতও দেওয়া হয়। শতদ্রু বলেন,  “ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম। আমার কাছে এমন কিছু ফোন, মেসেজ, ফেসবুকে মেসেজ আসত, যাঁরা টিকিটের দাম ফেরত চেয়ে আমাকে জানাতেন, তাঁদের নাম কিন্তু অনলাইন টিকিট ক্রেতাদের নামের তালিকায় ছিল না। আমার অনলাইন টিকিট বিক্রি হয়েছিল ৩৪ হাজারের কিছু বেশি।”

শতদ্রুর কথায়, ” ২২ হাজারের মতো টিকিট নিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস। সব কম্পিমেন্টারি টিকিট ছিল। যখনই কথা হত, মিটিং হত, টিকিট দিতে হবে, কার্ড দিতে হবে বলে আমাকে হুমকি দিতেন।”

সেদিনে মেসিকে হুড খোলা গাড়িতে মাঠ ঘোরানোর কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি, তারপর পিছনেও অরূপেরই প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ। তিনি বলেন, “আমি মেসিকে জিপে করে মাঠ ঘোরানোর প্ল্যান করেছিলাম, যাতে প্রত্যেক দর্শক দেখতে পারেন। উনি শুনে আমাকে থ্রেট দিয়েছিলেন, আমি আম্বানিদের দিই না, তোকে দেব কেন? মাঠটা আমার।”

জুঁই বিশ্বাস-সহ একাধিক ঘনিষ্ঠকে অনৈতিকভাবে প্রভাব খাটিয়ে মাঠে ঢুকিয়ে ভিড় বানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁদেরকে মেসির সঙ্গে সেলফিও তুলিয়েছিলেন। কিন্তু শতদ্রুর কথায়, এসবই অনৈতিকভাবে গা জোয়ারি করে সেদিন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। যার মাশুল গুনতে হয়েছিল দর্শকদের। তবে আপাতত টিকিটের কালোবাজারি নিয়েই এফআইআর করেছেন শতদ্রু। খুব শীঘ্রই মেসির খুব কাছে চলে যাওয়া, তাঁকে আগলে রাখা, ঘনিষ্ঠদের দিয়ে সেলফি তোলানো কিংবা বহু বিতর্কিত বিষয় কোমর জড়িয়ে রাখার বিষয়গুলি নিয়েও তিনি মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “জেলা-পঞ্চায়েত বাদ দিন, আন্তর্জাতিক স্তরের দুর্নীতি করেছে তৃণমূল। মেসির মতো আন্তর্জাতিক মানের ব্যক্তিত্বকে অপমান করেছে। বাড়ির বউ, চাকর-বাকরকে নিয়ে তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলিয়েছে। আমার তো মনে হচ্ছে, মেসি না পালিয়ে গেলে, একটি বিধায়কের আসনের টিকিটও দিয়ে দিত। কী ধরনের বেইজ্জতি! তাঁর নাম করে কত কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে!”

Follow Us