Siddiqullah Chowdhury: আজ জমায়েত নয়, ‘পিছু’ হটলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী! বাঁকড়া মোড়ে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা
Kolkata Airport mosque News: বিমানবন্দর অন্দরে মসজিদে নমাজ বন্ধের নির্দেশের পর থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে কোনওরকম বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় সুরক্ষা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আগে দেখতে হবে। এদিকে, মসজিদে নমাজ পাঠ বন্ধের নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ করেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পাল্টা, মসজিদে আজ জমায়েতের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

কলকাতা: পিছু হটলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (Siddiqullah Chowdhury)? বিমানবন্দরের (Kolkata Airport) ভিতরে মসজিদে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে নমাজ পাঠ। ঘটনার প্রতিবাদে মসজিদ চত্বরে (Kolkata Airport mosque News) জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তবে, সেই কর্মসূচি হঠাৎ বাতিল করে দিলেন সিদ্দিকুল্লা । আজ কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি হচ্ছে না। এদিকে, সকাল থেকেই বাঁকড়া এলাকায় কোনও অশান্তির ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য তৎপর পুলিশ। বাঁকড়া (Bankra) মোড় এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। দেখা গেল, সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
সিদ্দিকুল্লার প্রতিবাদ কর্মসূচি
বিমানবন্দর অন্দরে মসজিদে নমাজ বন্ধের নির্দেশের পর থেকেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে কোনওরকম বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় সুরক্ষা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আগে দেখতে হবে। এদিকে, মসজিদে নমাজ পাঠ বন্ধের নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ করেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পাল্টা, মসজিদে আজ জমায়েতের হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সকাল ১১টায় ৭ নং গেটে জমায়েতের ডাক দেন তিনি।
বাঁকড়ায় আঁটসাঁট নিরাপত্তা
এদিকে, দেখা গেল ভোর পাঁচটা থেকেই বাঁকড়া এলাকা সম্পূর্ণ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলে রয়েছে। আপাতত, দুই কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ান এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে ২৫০ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়। জারি করা হয় ১৬৩ ধারা। অর্থাৎ চারজনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে গার্ডরেল। দমকলের একটি ইঞ্জিন রয়েছে ঘটনাস্থলে। জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের শেলও রয়েছে। পুলিশের গাড়িতে মাইকে অনবরত প্রচার করা হয়। একইসঙ্গে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বাড়ি সংলগ্ন গলিতেও রুটমার্চ করা হয়। বাইরে থেকে কেউ এলে, তাঁদেরও আটকে দেওয়া হচ্ছে।
কী বললেন সিদ্দিকুল্লা?
বেলা প্রায় ১২টা। সেইসময় বাঁকড়া মোড়ে পৌঁছন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন সমর্থক। পুলিশের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কর্মসূচি অনুযায়ী তাঁরা নমাজ পাঠ করতে পারবেন কি না, সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন পুলিশকে। তবে, পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জমায়েতের কোনওরকম অনুমতি নেওয়া হয়নি। সিদ্দিকুল্লা জানান, বাতিল হয়েছে তাঁদের কর্মসূচি। অন্য জায়গায় নমাজ পড়বেন তাঁরা।
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী চলে যাওয়ার পরও বাঁকড়া এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। সবরকম অশান্তি এড়াতে প্রশাসন, পুলিশ, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।
