Pratikur Rahaman Expelled: বানান-বিভ্রাট! প্রতীক-উরের বহিষ্কারপত্র তুলে সেলিমের ক্লাস নিলেন ‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত

Pratikur Rahaman Joins TMC: তারপরেই গণ্ডগোল। বাংলার বামেদের বানানের খোঁচা দিলেন সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত পরবর্তী তৃণমূলে যাওয়া আরেক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো করে তিনি বললেন, "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিজেপি বিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রতীক-উর রহমান তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর এই যোগদানের পর সিপিএমের রাজ্য কমিটি একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে তাঁকে বহিষ্কার করেছে।"

Pratikur Rahaman Expelled: বানান-বিভ্রাট! প্রতীক-উরের বহিষ্কারপত্র তুলে সেলিমের ক্লাস নিলেন বহিষ্কৃত ঋতব্রত
বানান বিভ্রাটImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

|

Feb 21, 2026 | 11:02 PM

কলকাতা: বাংলার বামেদের ‘কালবেলা’। একদিকে প্রতীক-উর রহমানের তৃণমূলে যোগদান ঘিরে তৈরি হওয়া অস্বস্তি। সেই অস্বস্তি থেকেই প্রতীক-উরের দলত্যাগের ৭২ ঘণ্টা পর বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত। কিন্তু শান্তি নেই। কারণ, বহিষ্কারের বানান ভুল করে তৃণমূলী খোঁচার মুখে সিপিএম।

শনিবার বিকাল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার কার্যালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রতীক-উর রহমান। পাশে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। বাংলার রাজনীতিতে এই দৃশ্য় ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত। কারওর কাছে, এটাই রাজনীতি। কারওর কাছে, নীতির কথা বলা বিদ্রোহী প্রতীক-উর এখন ‘গদ্দার’। এই সময়কালেই ডায়মন্ড হারবারে টিকিট দেওয়া প্রতীক-উরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সিপিএম। নিজেদের সমাজমাধ্যমে সেই বহিষ্কারপত্র প্রকাশ করে তাঁরা।

তারপরেই গণ্ডগোল। বাংলার বামেদের বানানের খোঁচা দিলেন সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত পরবর্তী তৃণমূলে যাওয়া আরেক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো করে তিনি বললেন, “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিজেপি বিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রতীক-উর রহমান তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর এই যোগদানের পর সিপিএমের রাজ্য কমিটি একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে তাঁকে বহিষ্কার করেছে। সিপিএম নিজেদের মেধা চর্চার সর্বোচ্চ কেন্দ্র মনে করে। কিন্তু মহম্মদ সেলিমের জমানায় সিপিএমে নিম্ন মেধার চাষ হচ্ছে। প্রতীক-উর রহমানকে বহিষ্কার করার বিবৃতিতেই সেটা আবার স্পষ্ট হল। বহিষ্কার বানানটাই ভুল।” তৃণমূল সাংসদের সংযোজন, “মহম্মদ সেলিম হাজার হাজার তেজি মেধা সম্পন্ন ঘোড়াকে নিয়ে নাকি আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নাকি কার্য পরিচালনা করছেন। কিন্তু তাঁরা ঠিক করে বহিষ্কার বানানটাও লিখতে পারছেন না।”

 

ঠিক কী বানান লিখে কটাক্ষের মুখে পড়েছে সিপিএম? দলের তরফে প্রকাশিত বহিষ্কারপত্রে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, বহিষ্কার বানান লেখা রয়েছে ‘বহিস্কার’ হিসাবে। অন্যদিকে তৎক্ষণাৎ বানান লেখা রয়েছে ‘তৎক্ষনাৎ’ হিসাবে। তবে একা ঋতব্রত নয়, বাংলার বামেদের বানানের খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীও। এদিন টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, “সিপিএম কীভাবে দাবি করে ওরা শিক্ষিতদের পার্টি? একটা বহিষ্কারের নোটিস টাঙাচ্ছে। এদিকে সেই বহিষ্কার বানানটাই ভুল। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে এমন ভুল না করলেই পারতেন।”