AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jobs Cancellation Case: রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন চাপে ৩২,০০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা

32,000 Primary Jobs Cancellation Case: ২০১৬ সালে প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছিলেন তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর সেই নির্দেশ খারিজ করে শিক্ষকদের চাকরিতে বহাল করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

Jobs Cancellation Case: রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন চাপে ৩২,০০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা
সুপ্রিম কোর্টImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 18, 2026 | 1:03 PM
Share

কলকাতা:  প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিমকোর্ট।সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ সব পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করেছে। অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে হবে শুনানি। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের পর্যবেক্ষণ, “আমাদের দেখতে হবে শিশুদের ভবিষ্যৎ যাঁদের উপর ন্যস্ত আছে , তাঁরা প্রকৃত অর্থেই যোগ্য কিনা!”

২০১৬ সালে প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছিলেন তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর সেই নির্দেশ খারিজ করে শিক্ষকদের চাকরিতে বহাল করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। আজ সেই মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট।

মামলার প্রেক্ষাপট

সিঙ্গল বেঞ্চের রায়

২০২৩ সালের ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অ্যাপটিটিউড টেস্ট না নেওয়ার অভিযোগ তুলে এই ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ডিভিশন বেঞ্চের রায়

দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে দেয়। ডিভিশন বেঞ্চের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, এই শিক্ষকদের কারও চাকরি যাচ্ছে না এবং তাঁদের চাকরি বহাল থাকবে। ডিভিশন বেঞ্চের  পর্যবেক্ষণ ছিল,  দুর্নীতি হলেও এত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেওয়া যাবে না। গত ন’বছর ধরে তাঁরা চাকরি করছেন। তাঁদের পরিবারের কথা ভেবে মানবিক কারণে চাকরি বহাল রেখেছে আদালত।

Follow Us