Yogesh Chandra Law College: মন্ত্রী অরূপের হস্তক্ষেপ, যোগেশচন্দ্র ল’কলেজে ‘বহিরাগত’ সাব্বির-গোষ্ঠীই করছে দুটো পুজো
Yogesh Chandra Law College: গতবারের মতো এবারেও সরস্বতী পুজো কে করবে, তা নিয়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সমস্যা। প্রাক্তনীদের দাপটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতেই এই অশান্তি বলে জানা গিয়েছে। অধ্যক্ষের ঘরে তালা লাগিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। এবার অভিযোগ ওঠে বর্তমান পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে।

কলকাতা: গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনা! এবছরও যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজে সরস্বতী পুজো কে করবে, তা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যদিও কলেজ সূত্রে খবর, সেই সমস্যার আপাতত সমাধান হয়েছে। বিষয়টিকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। তাঁর মধ্যস্থতায় একই ক্যাম্পাসে হবে দুটো পুজো। গেটের মুখে ডে কলেজের পুজো, ভেতরে ল’কলেজের পুজো।
গতবারের মতো এবারেও সরস্বতী পুজো কে করবে, তা নিয়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সমস্যা। প্রাক্তনীদের দাপটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতেই এই অশান্তি বলে জানা গিয়েছে। অধ্যক্ষের ঘরে তালা লাগিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। এবার অভিযোগ ওঠে বর্তমান পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, গত বছর বাইরে পুজো করলেও এ বছর কলেজে সাব্বির গোষ্ঠীরই রমরমা রয়েছে। আগেরবার যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, সেই সাব্বির আলির দাপট এখনও বহাল কলেজে। বহিরাগত সাব্বিরের কলেজে ঢোকায় বর্তমান পড়ুয়াদের একাংশের আপত্তি। তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানালেও, তা কানে তোলেনি কেউ।
অভিযোগ, এবছর দুটো পুজোই হাতে নিয়েছে সাব্বির গোষ্ঠী। এই প্রথম নয়। সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে গত বছরও অশান্তি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি এমনই ছিল যে আদালতে জল গড়ায়। শেষমেশ আদালতের নির্দেশ, কলেজে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করে হয়েছিল সরস্বতী পুজো। কলেজ ভিতর ও বাইরে সর্বত্র মোতায়েন ছিল পুলিশ। তখনও এই সাব্বিরের বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছিল। মূল ইস্যু, বহিরাগত হয়েও কীভাবে কলেজে তাঁর এত দাপাদাপি। সাব্বির গোষ্ঠীর বক্তব্য, সুষ্ঠভাবে পুজো হবে, কোথাও কোনও অসুবিধা হবে না।
অধ্যক্ষের সুনন্দা গোয়েঙ্কার বক্তব্য, “পুজোর সময় আমাদের ছাত্রদেরই। প্রিন্সিপ্যাল কেন পুজো করতে দেবে না? ছাত্রদের দু-একটা দাবিদাওয়া বিচার করে দেখা হবে। আইনের বাইরে গিয়ে কিছু হবে না। বর্তমান ছাত্রদেরই পুজো, প্রাক্তনীরা আসবে।”
