Aniket Mahato: ‘রাজ্য সরকার আমার ডাক্তারি জীবনের মার্ডারের পথে হাঁটছে’, বিস্ফোরক অনিকেত
Aniket Mahato: এই নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামেন অনিকেত। আদালতের নির্দেশ তাঁর পক্ষেই যায়। অভিযোগ, তবুও আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সরকার এবং স্বাস্থ্য দফতর। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছিল, ১৪ দিনের মধ্যে পোস্টিং দিতে হবে অনিকেতকে। সেই সময় অতিক্রম হয়ে যাওয়ার পরেও, নতুন বছর শুরু হয়ে গিয়েছে।

কলকাতা: আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্টের বোর্ড অফ ট্রাস্ট থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ট্রাস্টের সভাপতি পদে ছিলেন তিনি। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন অনিকেত। বললেন, “তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে সোচ্চার হওয়ায় রাজ্য প্রশাসন আমার উপরে ক্ষুব্ধ হয়। পরবর্তীতে মেরিট ব্যাস কাউন্সিলিং সিস্টেমকে ভায়োলেট করে আমাকে রায়গঞ্জ পাঠানো হয়।সেই পোস্টিং নিয়ে রাজ্যে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুস্পস্ট প্রতিফলন ছিল।”
এই নিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামেন অনিকেত। আদালতের নির্দেশ তাঁর পক্ষেই যায়। অভিযোগ, তবুও আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সরকার এবং স্বাস্থ্য দফতর। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছিল, ১৪ দিনের মধ্যে পোস্টিং দিতে হবে অনিকেতকে। সেই সময় অতিক্রম হয়ে যাওয়ার পরেও, নতুন বছর শুরু হয়ে গিয়েছে। এখনও তাঁর পোস্টিং হয়নি বলে অভিযোগ।
অনিকেতের কথায়, “সবটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য। রাজ্যে সরকার আমার ডাক্তারি জীবনের মার্ডারের পথে হাঁটছে। আমি বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বন্ড পোস্টিং থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ৩০ লক্ষ টাকা সরকারকে দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চাই। সমাজের সকল শুভানুধ্যায়ী মানুষের কাছে আমি সাহায্য চাইছি।”
তিনি এও বুঝিয়ে দিয়েছেন, WBJDF এর সঙ্গে যোগাযোগ তাঁর থাকবেই। WBJDF-এর নতুন এক্সিকিউটিভ কমিটি তৈরি করা নিয়ে মতপার্থক্য হয়। তাই তিনি বেরিয়ে এসেছেন। তবে তিনি বলেন, “আন্দোলন নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই। রাজ্য সরকারের আর্থিক দুর্নীতি বিরুদ্ধে, জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতি যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঘটনা ঘটে, থ্রেট কালচার নিয়ে আন্দোলন হয় সেই আন্দোলনে সহমত আমি।”
তিনি এও বলেছেন, “WBJDF-এর তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলা হচ্ছে, তবে আমি কোনও চিঠি এখনও পাইনি। যাদের সঙ্গে একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, সকলের সঙ্গেই আমার আত্মিক সম্পর্ক। আগামীতেও কথা হবে, যোগাযোগ থাকবে।”
