RG Kar Case: ‘রান্নাঘরে টেনে নিয়ে গিয়ে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়েছিল’, বিস্ফোরক অভিযোগ তিলোত্তমার মায়ের
RG Kar Case Allegation: আদালতে অভিযোগ জানানোর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিলোত্তমার মা বলেন, "আমরা একটা কথা বলেছি। যেটা আগেও আমরা বারবার বলেছি। ২০২৪-এর ৯ অগস্টের ঘটনা। ওরা যেভাবে আমাদের উপর অত্যাচার করেছে, মেয়েকে তো যারা খুন করার করেছেই।"

কলকাতা: ‘মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয়েছিল’। আরজি কর (RG Kar Case) মামলায় এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তিলোত্তমার মা-বাবার। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) আরজি কর মামলার শুনানি ছিল। এদিন, আরও একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেখানেই ৯ অগস্টের ঘটনা নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি তুললেন তিলোত্তমার বাবা-মা।
কী অভিযোগ?
আদালতে অভিযোগ জানানোর পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিলোত্তমার মা বলেন, “আমরা একটা কথা বলেছি। যেটা আগেও আমরা বারবার বলেছি। ২০২৪-এর ৯ অগস্টের ঘটনা। ওরা যেভাবে আমাদের উপর অত্যাচার করেছে, মেয়েকে তো যারা খুন করার করেছেই। তারপর আমাদের এলাকায় নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ দে যে অত্যাচার করেছে আমাদের উপর, গ্রিন করিডর করে আমাদের মেয়েকে বাড়ি নিয়ে চলে এসছে। সেদিন তো অনেক লোক ছিল। কিন্তু কাউকে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি। সিবিআই এখনও জিজ্ঞেস করে উঠতে পারেনি যে গ্রিন করিডরের অনুমতি কে দিল?”
‘মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে…’
মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বলেন, “টালা থানায় গিয়েছিলাম। সেখানে দুই ঘণ্টা বসেছিলাম। আমরা জানিয়েছিলাম দেহ দাহ করতে চাই না। ওরা আমাদের কোনও কথাই শোনেনি। পরে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় টালা থানায় আসলে, তাঁকে অনুরোধ করলাম। শুনল না।…বাড়িতে যখন গেলাম, তখন দেখলাম যে পুলিশ আর পুলিশ। ঠিক সেই মুহূর্তে দেখি, এলাকার তিনজন নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় ও সোমনাথ দে ডিসি নর্থকে ডেকে নিয়ে এল। ওর বাবাকে টেনে নিয়ে গেল রান্নাঘরের করিডোরের সামনে। টাকার বান্ডিল দেখাচ্ছিল। তখন ওরা তিনজন মিলে বাবার মাথায় বন্দুক ধরে হুমকি দিয়েছে যাতে কথা বাইরে প্রকাশ না হয়। ডিসি নর্থ বেরিয়ে যাওয়ার পর ওর বাবাকে এমন ভয় দেখিয়েছে যে আমাকেও ওর বাবা বলেনি।” তাঁর আরও অভিযোগ, সিবিআই কখনও এই কথাগুলি শুনতেই চায়নি।
তবে, বিচার পাওয়ার আশা ছাড়ছেন না তিলোত্তমার মা। তিনি বলেন, “সিবিআই স্ট্যাটাস রিপোর্ট কী দিয়েছে, সেটা তো আমাদের দেখায় না। তবে যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিয়েছেন, তাতে বিচারপতিরাই খুশি নন। আবার একটা পরবর্তী তারিখ দিয়েছে। বিচার তো অবশ্যই হবে। বিচার ছিনিয়ে নিতে হবে। নতুন সরকারের উপর আমাদের ভরসা আছে। পুলিশ এখন ভালভাবে কাজ করছে।”
