Kunal Ghosh: ‘দলে শত্রুপক্ষের প্রভাব রয়েছে!’ পদ হারাতেই বোমা ফাটালেন কুণাল
TMC: যে কুণাল ঘোষ বিরোধীদের এত আক্রমণ করে, সেই কুণালকেই পদ থেকে সরানো হল? সেই নিয়ে প্রশ্ন শুনেই কুণাল বললেন, 'এর থেকে অনুমান করা যেতে পারে, দলের মধ্যে শত্রুপক্ষের প্রভাব রয়েছে।' কেন এমন মনে করছেন কুণাল?

কলকাতা: কুণাল ঘোষ। বিধায়ক নন। মন্ত্রী নন। সাংসদ নন। রাজ্যসভায় একবার গিয়েছিলেন বটে, সেও বহুকাল আগে। নিজে বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সাধারণ সৈনিক। তবে রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূলের একেবারে প্রথম সারির নেতাদের মধ্য়ে একজন হিসেবে গণ্য হন কুণাল। সেই কুণাল ঘোষকে বুধবার তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরানো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে দলীয় সিদ্ধান্ত। যে কুণাল ঘোষ উঠতে বসতে বিরোধীদের আক্রমণ করেন, রাজনীতির ময়দানে বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। সেই কুণালকেই আজ দলের পদ থেকে সরানো হল। আর এরপরই দলেরই একাংশকে নাম না করে বিঁধলেন তৃণমূল নেতা। কুণালের সন্দেহ, দলের মধ্যে বিরোধীদের প্রভাব তৈরি হচ্ছে।
কুণাল ঘোষের দাবি, তিনি এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও অফিশিয়াল বার্তা পাননি। তবে তিনি আগে থেকেই এই পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন জানালেন তৃণমূল নেতা। কিন্তু যে কুণাল ঘোষ বিরোধীদের এত আক্রমণ করে, সেই কুণালকেই পদ থেকে সরানো হল? সেই নিয়ে প্রশ্ন শুনেই কুণাল বললেন, ‘এর থেকে অনুমান করা যেতে পারে, দলের মধ্যে শত্রুপক্ষের প্রভাব রয়েছে। যে (বিরোধীদের) সব থেকে বেশি আক্রমণ করে, যে নিজের ভালমন্দ বিচার না করে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে… যদি তার মুখ চুপ করানো যায়, তাতে তো শত্রুদের লাভ। তার মানে দলের মধ্যে নিশ্চয়ই শত্রুদের পেনিট্রেশন রয়েছে।’
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর কুণাল ঘোষের দাবি, ‘মুখপাত্র ও সাধারণ সম্পাদকের পদ আমি অনেকদিন আগেই ছেড়ে দিয়েছি। যে পদ আমি ছেড়ে দিয়েছি, সেটা যদি কেউ বলে সরানো হল… এটা হাসাহাসির ব্য়াপার নয় কি!’
